বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আবদুস সবুর মণ্ডল বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে মাদক পাচারে সমুদ্রপথ ব্যবহার করা হচ্ছে। সমুদ্রপথে ইয়াবা পাচার বেড়েছে। কারণ, স্থলপথগুলোতে কড়াকড়িতে হয়তো সমুদ্রপথে আসছে। ইয়াবার তুলনায় আইস আরও বেশি তীব্র আকার ধারণ করেছে। এ বিষয়ে উভয় দেশ তৎপর রয়েছে।

তিনি বলেন, সমস্যাগুলো ভারতকে বলা হয়েছে। তারা সীমান্তের বেশ কটি ফেনসিডিল কারখানা বন্ধ করে দিয়েছে। মিয়ানমারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক রক্ষা করে মাদক সমস্যা সমাধানে অগ্রসর হতে হবে।

মহাপরিচালক সবুর মণ্ডল বলেন, গত ডিসেম্বরে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, তারা বাংলাদেশের বিষয়গুলো জানে। মিয়ানমারের সরকার যদি ব্যবস্থা নিত, তাহলে হয়তো এ রকম আসত না। তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। উভয় দেশই বেশ কিছু আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থার (বিমসটেক, সার্ক, কমনওয়েলথ ইত্যাদি) সদস্য। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ও ভারত মাদকদ্রব্য চোরাচালান এবং মাদক–সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে একযোগে কাজ করছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, সভায় উভয় পক্ষই সমুদ্রপথ ব্যবহার করে মাদক চোরাচালান এবং মাদক সন্ত্রাসীদের উদ্ভাবিত নতুন নতুন রুট সম্পর্কিত তথ্য বিনিময়, রাসায়নিক ব্যবস্থাপনাবিষয়ক নীতিমালা ও বিধিবিধান নিয়ে তথ্য বিনিময়, ফলপ্রসূ অপারেশনের মাধ্যমে অর্জিত অভিজ্ঞতা বিনিময়, মাদকবিষয়ক প্রাসঙ্গিক অপরাপর সম্যক তথ্য বিনিময়ের বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সবুর মণ্ডল বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো আগামী দিনে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও বেগবান করবে এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে মাদকদ্রব্য এবং মাদক–সন্ত্রাসের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে আরও অধিকতর ভূমিকা রাখবে।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন