বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শাহীনের বিরুদ্ধে মামলার বাদী হলেন আশুলিয়া থানার সাবেক উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মিরাজ হোসেন। তিনি বর্তমানে শরীয়তপুরের সখীপুর থানায় কর্মরত। এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কায়সার হামিদ।

আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলার বাদী হলেন আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফজর আলী। তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল জলিল।

মাদকের পৃথক মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন চেয়ে ব্যর্থ হন শাহীন ও আলমগীর। পরে তাঁরা হাইকোর্টে জামিনের পৃথক আবেদন করেন। এর শুনানিতে মাদক উদ্ধারের তথ্যে অসংগতির বিষয়টি হাইকোর্টের নজরে আসে। আদালত মামলার বাদী ও তদন্ত কর্মকর্তাদের ব্যাখ্যা জানাতে হাইকোর্টে হাজির হতে নির্দেশ দেন। তাঁরা আদালতে হাজির হন। শুনানি শেষে আজ আদেশ দেওয়া হয়। আদালত দুই আসামিকে অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছেন।

আদালতে শাহীনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. মতিউর রহমান। আলমগীরের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী ফারজানা ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মিজানুর রহমান।

আইনজীবী সূত্রের তথ্যমতে, গত বছরের ১৮ জুলাই শাহীনকে মাদকসহ আটক করা হয়। সেদিনই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাঁর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মামলা হয়। এ মামলায় গত বছর ২০ সেপ্টেম্বর অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। মামলাটি ঢাকার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-২-এ বিচারাধীন।

গত বছরের ২১ জুলাই আলমগীরকে মাদকসহ আটক করা হয়। সেদিনই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাঁর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মামলা হয়। এ মামলায় গত বছর ৯ সেপ্টেম্বর অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ।

সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মিজানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, শাহীনের মামলার এজাহারে মাদকের (হেরোইন) পরিমাণ ১০ গ্রাম উল্লেখ রয়েছে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) রাসায়নিক প্রতিবেদনে ৭১ দশমিক ২৫ গ্রাম মাদকের কথা রয়েছে। আর আলমগীরের মামলার এজাহারে মাদকের (হেরোইন) পরিমাণ ১১ গ্রাম উল্লেখ রয়েছে। সিআইডির রাসায়নিক প্রতিবেদনে ৮১ দশমিক শূন্য ৭ গ্রাম মাদকের কথা রয়েছে। বিষয়টি নজরে এলে হাইকোর্ট ওই আদেশ দেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন