বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী শাহাবুদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, মাহমুদা হত্যার তিন আসামির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে আবেদন করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। শুনানি শেষে আদালত তিন আসামির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন। আদালতের আদেশটি স্থল ও বিমানবন্দরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

পুলিশ সূত্র জানায়, ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন মুছা। পুলিশ বলছে তাঁকে খোঁজা হচ্ছে। যদিও মুছার স্ত্রী পান্না বেগম ঘটনার পর থেকে দাবি করে আসছেন তাঁর স্বামীকে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মুছার খোঁজ এখনো মেলেনি। আসামি কালু ঘটনার পর থেকে পলাতক। এহতেশামুল হক ওরফে ভোলা জামিনে রয়েছেন।

২০১৬ সালের ৫ জুন বড় ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড় এলাকায় মাহমুদাকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনার একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী ছিল ১২ বছর বয়সী বড় ছেলে। মাহমুদা হত্যাকাণ্ডের পর তাঁর স্বামী সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তার বাদী হয়ে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। ডিবি পুলিশের পর গত বছরের মে মাস থেকে মামলাটি তদন্ত শুরু করে পিবিআই।

চলতি বছরের ১২ মে এ মামলায় আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় পিবিআই। এতে বলা হয়, তিন লাখ টাকা দিয়ে স্ত্রীকে খুন করান বাবুল। ওই দিন বাবুলের শ্বশুর মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে বাবুলসহ আটজনকে আসামি করে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। এই মামলায় বাবুলকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে হাজির করা হলে তিনি জবানবন্দি দিতে রাজি হননি। গত ১৭ মে থেকে কারাগারে আছেন বাবুল।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন