বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালতে এরিকোর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। ইমরানের শুনানি করেন আইনজীবী ফিদা এম কামাল ও ফাওজিয়া করিম ফিরোজ।
শুনানিতে শিশুদের বাবার আইনজীবী ফাওজিয়া করিম ফিরোজ বলেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রোকন উদ্দিন মাহমুদ ব্যক্তিগত অসুবিধার কারণে এই মামলায় থাকতে চাচ্ছেন না। আদালত বলেন, সমঝোতার জন্য ওনাকে দায়িত্ব দেওয়া হলো, উনি চলে গেলে কীভাবে হবে? ফাওজিয়া করিম বলেন, বুধবার অপর পক্ষের আইনজীবী শিশির মনিরকে নিয়ে বসেছিলাম। সমঝোতার জন্য কিছুটা সময় দরকার বলেছি।

অন্যদিকে শিশুদের মায়ের আইনজীবী শিশির মনির বলেন, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রোকন উদ্দিন মাহমুদ এই মামলা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। তারপর বুধবার জুমে আলোচনায় হয়। অপর পক্ষ যিনি (শিশুদের বাবা) আছেন, তিনি বলছেন কোনোভাবেই জাপানে যাবেন না। উনি বলেছেন বাংলাদেশেই সমাধান। উনি বলছেন শিশুদের মা যদি বাংলাদেশে আসেন ও থাকেন, তাহলে তিনি রাজি আছেন। মায়ের পক্ষ থেকে আগের মতো সবাই মিলে জাপানে চলে যাওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। তিনি (মা) মনে করছেন সমঝোতা প্রক্রিয়া এগোবে না। এরপর দুই পক্ষের বক্তব্য শুনে আদেশ দেওয়া হয়।

২০০৮ সালের ১১ জুলাই জাপানি নাগরিক এরিকো নাকানো ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক ইমরান শরীফের বিয়ে হয়। তাঁদের তিন মেয়ে। গত ১৮ জানুয়ারি এরিকোর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন ইমরান। এরপর ২১ ফেব্রুয়ারি দুই মেয়েকে নিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন ইমরান। পরে ছোট মেয়েকে তার নানির কাছে রেখে গত ১৮ জুলাই বাংলাদেশে আসেন এরিকো। ইমরানের কাছ থেকে ১০ ও ১১ বছর বয়সী দুই মেয়েশিশুকে ফিরে পেতে ঢাকায় এসে গত ১৯ আগস্ট রিট করেন এরিকো।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন