বিজ্ঞাপন

নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) কাজী শাহাবুদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, আসামি সাইদুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পিবিআই সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। শুনানি শেষে আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের মূল সন্দেহভাজনদের একজন কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুসা দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ। তাঁরই ভাই সাইদুল ইসলাম শিকদার। মিতু হত্যার পর তার স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার যে মামলা করেছিলেন, সেই মামলার তদন্তে এই দুই ভাইয়ের নাম এসেছিল। সাইদুল গ্রেপ্তার হয়ে পরে জামিনে মুক্তি পান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই চট্টগ্রামের পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা প্রথম আলোকে বলেন, আসামি সাইদুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে আদেশ দিয়েছেন আদালত। মাহমুদা হত্যার বিষয়ে তাঁর কাছে তথ্য জানার চেষ্টা রয়েছে। ঘটনায় অংশ নেওয়া মুছার ভাই তিনি। পলাতক মুছার বিষয়ে তার কাছে জানতে চাওয়া হবে।

নিখোঁজ মুছার ছেলে শামসুল ইসলাম শিকদার আজ বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার বাবাকে পুলিশই ধরে নিয়ে গেছে। আমার বাবা কোথাও পালালে পাসপোর্ট নিয়ে যেত। আমাদের কাছে পাসপোর্ট আছে। দোষী হলে বিচার হোক। আদালতে সোপর্দ করা হোক।’

এদিকে তদন্তে মিতু হত্যাকাণ্ডে বাবুল আক্তারের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পেয়েছে পিবিআই। বুধবারই বাবুলের করা মামলায় আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে তারা।

অপরদিকে বাবুলসহ আটজনকে আসামি করে বুধবারই একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন। এই মামলায় আটজনকে আসামি করা হয়েছে। বাবুলকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন