গতকাল সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানায় রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। বিবৃতিতে বলা হয়, সড়ক দুর্ঘটনায় একসঙ্গে এত শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনা দেশে নজিরবিহীন। ট্রাকচালকের অদক্ষতা ও মুঠোফোনে কথা বলার কারণে ওই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে সন্তান হারিয়ে অভিভাবকদের যে কষ্ট ও স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে, সে জন্য হলেও দিবসটি জাতীয়ভাবে পালন করা উচিত।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন মনে করে, মিরসরাই ট্র্যাজেডি দিবসকে জাতীয় দিবস ঘোষণা করা হলে নিহত শিক্ষার্থীদের শোকার্ত পরিবারের প্রতি উপযুক্ত সমবেদনা জানানো হবে। তেমনি দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিবছর দিবসটি পালনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা তৈরি হবে।

সংগঠনটি নিহত শিক্ষার্থীদের পরিবারকে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দিতে ও সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে।

২০১১ সালের ১১ জুলাই মিরসরাই সদর থেকে বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতা ফুটবল টুর্নামেন্টের খেলা দেখে ট্রাকে করে বাড়ি ফিরছিল মায়ানী ও মঘাদিয়া ইউনিয়নের ছাত্ররা। ওই দিন আবুতোরাব-বড়তাকিয়া সড়কে ট্রাকটি উল্টে খাদে পড়ে শিশু-কিশোরসহ ৪৪ জন নিহত হয়। সবচেয়ে বেশি ছাত্র নিহত হয় আবুতোরাব উচ্চবিদ্যালয়ের।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন