বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গুরুতর আহত আফছার, মেহেদী ও ছাব্বিরকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তাঁদের নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে রোববার রাতেই নুরুল আফছারকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এলাকাবাসী ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার রাত আটটার দিকে কাদের মির্জার অনুসারী ছাত্রলীগ সভাপতি মেহেদীসহ পাঁচ-সাতজন চর ফকিরা গ্রামে শাহ আলমের চা–দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় তাঁদের ওপর হামলা চালায় একদল মুখোশধারী ব্যক্তি। হামলায় মেহেদীসহ চারজন আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

আহত নুরুল আফছার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন, একদল সন্ত্রাসী আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হঠাৎ তাঁদের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা এলোপাতাড়ি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটাতে থাকে। হামলায় তাঁরা চারজন মারাত্মকভাবে আহত হন। হামলাকারীরা আওয়ামী লীগের নেতা ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান ও রাহাতের (ফখরুল ইসলাম ওরফে রাহাত; ওবায়দুল কাদেরের ভাগনে) অনুসারী বলে অভিযোগ করেছেন নুরুল আফছার।

তবে এ ধরনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র ও মিজানুর রহমানের অনুসারী মাহবুবুর রশিদ। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘শুনেছি, ওই এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের ছেলেপেলের মধ্যে একটা ঝামেলা হয়েছে। তাতে কয়েকজন আহত হয়েছে। তবে ওই ঘটনায় আমাদের কোনো নেতা-কর্মী জড়িত নয়।’

কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে পুলিশ গিয়ে কাউকে সেখানে পায়নি। এ ঘটনায় কাদের মির্জার পক্ষের আহত একজন থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত করে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন