default-image

মুভমেন্ট পাসের জন্য পুলিশের ওয়েবসাইট ও অ্যাপে গত ১১ দিনে (১৩–২৩ এপ্রিল) ২০ কোটি ৪৫ লাখ ৩ হাজার ২৩৬টি হিট হয়েছে। এ সময় ১৩ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৯ জন মুভমেন্ট পাস পেয়েছেন। ১৪ এপ্রিল সারা দেশে শুরু হওয়া কঠোর লকডাউনের মধ্যে চলাচলের জন্য এই পাস ইস্যু করে পুলিশ।

নতুন কোনো সিদ্ধান্ত না হলে চলমান লকডাউন আগামী ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চলমান লকডাউনের মধ্যে আগামী রোববার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত শপিংমল ও দোকানপাট খোলা রাখা যাবে। লকডাউনে শপিংমল ও দোকানে যেতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মুভমেন্ট পাস নিতে হবে। তবে আগের ঘোষণা অনুযায়ী যেসব পেশার মানুষের মুভমেন্ট লাগবে না বলে জানানো হয়েছে, তাঁদের শপিংমলে যেতেও পাস লাগবে না। তাঁদের ক্ষেত্রে নিজ প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্রই মুভমেন্ট পাস হিসেবে গণ্য করা হবে বলে পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে।
করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতিতে সরকার ১৪ এপ্রিল সারা দেশে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে। সেদিন থেকেই পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণে ঘর থেকে বের হতে মুভমেন্ট পাস নেওয়ার ব্যবস্থা চালু করে। এ জন্য ১৩ এপ্রিল বিশেষ অ্যাপ ও ওয়েবসাইট (https:/movementpass.police.gov.bd) উদ্বোধন করা হয়।

লকডাউনের মধ্যেই আজ শুক্রবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ শপিংমল খোলার বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে রোববার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দোকান ও শপিংমল খোলা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তবে সংক্রমণ এড়াতে অতি প্রয়োজন ছাড়া শপিংমলে যেতে জনসাধারণকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তবে আজ কয়েকজন ব্যবসায়ী প্রথম আলোকে বলেন, মুভমেন্ট পাস নিয়ে মার্কেট ও দোকানপাটে যেতে ক্রেতা ও বিক্রেতারা ভোগান্তিতে পড়বেন। একই সময়ে এত বিপুলসংখ্যক মানুষ কীভাবে একসঙ্গে মুভমেন্ট পাস পাবেন। বাসা থেকে বের হওয়া বা ফেরার জন্য মুভমেন্ট পাসের মেয়াদ মাত্র তিন ঘণ্টা। এত অল্পে কীভাবে হবে।

জানতে চাইলে পুলিশ সদর দপ্তরের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি, গণমাধ্যম ও পরিকল্পনা) হায়দার আলী খান আজ বিকেলে প্রথম আলোকে বলেন, শপিংমল ও দোকানপাট খোলা থাকলেও সারা দেশে লকডাউন চলাকালে যাঁরা ঘরের বাইরে বের হবেন ও ফিরে আসবেন, তাঁদের সবার পৃথক মুভমেন্ট পাস নিতে হবে। এখন পর্যন্ত শপিং ও কেনাকাটার জন্য যাঁরা বের হবেন, তাঁদের বিষয়েও একই নির্দেশনা রয়েছে।

তিনি বলেন, পুলিশের অ্যাপ ও ওয়েবসাইট চালু হওয়ার পরপরই প্রতি মিনিটে ১৫ হাজার করে আবেদন জমা হওয়ায় সার্ভারে চাপ পড়ে যাওয়ায় পাস পেতে সমস্যা হয়েছিল। এখন সার্ভারের সংখ্যা বেড়ে গেছে। তাই মুভমেন্ট পাস পেতে আর কারও সমস্যা হবে না।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন