বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মিশেল ব্যাশেলেট বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে সবাই জানেন রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে যে নৃশংসতা চালানো হয়েছে, তার বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠ থাকার লড়াইয়ে মুহিবুল্লাহ নিজেকে জড়িয়েছেন। এভাবে তাঁর খুন হওয়াটা হৃদয়বিদারক। জীবনের ঝুঁকি থাকার পরও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিজেকে জড়ানো এমন একজন সাহসী মানবাধিকারকর্মীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।’

জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের ৪০তম অধিবেশনে অংশ নিতে ২০১৯ সালের মার্চ মাসে মুহিবুল্লাহ জেনেভায় গিয়েছিলেন। দশকের পর দশক ধরে জাতীয়তা, ভূমি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো মৌলিক অধিকার থেকে রোহিঙ্গারা কীভাবে বঞ্চিত হচ্ছে, সেটি মুহিবুল্লাহ তাঁর বক্তৃতায় তুলে ধরেন।

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার বলেন, শুধু হত্যাকারীদের খুঁজে বের করে তাদের বিচার নয়, ওই হত্যার পেছনে তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল, তা খুঁজতে একটি দ্রুত, পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন তদন্ত চালানো উচিত। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে গিয়ে বাংলাদেশ চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করছে। এ ব্যাপারে বিশ্ব সম্প্রদায়ের আরও সহায়তা প্রয়োজন। এ বিষয়গুলো আমি পুরোপুরি বুঝতে পারছি। তারপরও কক্সবাজার ও ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।’

এদিকে শুক্রবার নিউইয়র্কে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে জাতিসংঘের সহযোগী মুখপাত্র স্টিফেনি ট্রেম্বলে বলেছেন, জাতিসংঘ কঠোর ভাষায় রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যার নিন্দা জানায়। একই সঙ্গে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান, এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ী ব্যক্তিদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন