বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন ‘আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি’র (আল ইয়াকিন নামেও পরিচিতি) জিম্মাদার হিসেবে দায়িত্বপালনকারী রোহিঙ্গা মো. সেলিমকে গত শুক্রবার গ্রেপ্তার করে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। গতকাল শনিবার বিকেলে শওকতকে গ্রেপ্তার করে উখিয়া থানার পুলিশ।

আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সেলিম ও শওকতকে আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও উখিয়া থানার উপপরিদর্শক কার্তিক চন্দ্র পাল।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কার্তিক চন্দ্র পাল জানান, গতকাল রাত পর্যন্ত মুহিবুল্লাহ খুনের মামলায় সন্দেহভাজন চার রোহিঙ্গাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে আজ দুজনকে (সেলিম ও শওকত) তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ। গ্রেপ্তার অপর দুই রোহিঙ্গা (জিয়াউর রহমান ও আবদুস সালাম) পুলিশ হেফাজতে।

পুলিশ জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে রোহিঙ্গা শিবিরে অভিযান চালিয়ে লাম্বাশিয়া আশ্রয়শিবিরের জিয়াউর রহমান ও আবদুস সালামকে গ্রেপ্তার করে এপিবিএন। তাঁরা দুজন রোহিঙ্গা শিবিরের আরসা ও আল-ইয়াকিনের সদস্য বলে পরিচিতি।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে আটটায় লাম্বাশিয়া আশ্রয়শিবিরের ডি ব্লকে আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটস (এআরএসপিএইচ) সংগঠনের কার্যালয়ে ঢোকার সময় বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত হন মুহিবুল্লাহ। তিনি ওই সংগঠনের চেয়ারম্যান ছিলেন। কার্যালয় থেকে ৩০ ফুট দূরে ছিল মুহিবুল্লাহর ঘর। পরের দিন রাত ১১টায় উখিয়া থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন মুহিবুল্লাহর ছোট ভাই হাবিবুল্লাহ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন