default-image

দেশে মূল্যস্ফীতির হার ছয় বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, গত মাস অর্থাৎ অক্টোবর শেষে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ। এর আগে ২০১৪ সালের অক্টোবরে মূল্যস্ফীতির হার সবচেয়ে বেশি ছিল (৬ দশমিক ৬০ শতাংশ)।

গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে যাওয়া। অক্টোবরে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৭ দশমিক ৩৪ শতাংশে উঠেছে, যা আগের মাসে ছিল সাড়ে ৬ শতাংশ। বিবিএসের এ হিসাব বুধবার রাতে সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। এতে দেখা যায়, চাল, ডাল, আটা, পেঁয়াজ, আলুসহ সবজির দাম বেড়ে যাওয়ায় মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।

এ বিষয়ে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর প্রথম আলোকে বলেন, অক্টোবরে বাজারে আলু বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজিতে। দামটা অত্যন্ত বেশি। পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৯০ থেকে ১০০ টাকা ছিল। চালের দামও চড়া। তিনি বলেন, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দাম বেড়ে গেছে। উচ্চ হারে শুল্কের কারণে কেউ চাল আমদানি করছে না। ফলে দাম কমছে না।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, গ্রাম ও শহর দুই ক্ষেত্রেই খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে। শহরে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশে উঠেছে, যা আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ২৬ শতাংশ। এ ছাড়া গ্রামে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৭ দশমিক ৭৩ শতাংশে উঠেছে, আগের মাস শেষে ৬ দশমিক ৬১ শতাংশ ছিল। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস থেকেই মূল্যস্ফীতির হার ঊর্ধ্বমুখী।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0