বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নদীর অংশবিশেষ ও সোনারামপুর খাল ভরাটের ফলে ক্ষতি নিরূপণ ও আদেশ বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দিতে বলেছেন হাইকোর্ট। আদেশ পাওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালককে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

রুলে আশুগঞ্জ উপজেলার সোহাগপুর ও বাহাদুরপুর মৌজা দিয়ে প্রবাহিত মেঘনা নদীর অংশবিশেষ, সোনারামপুর খাল ভরাটের কার্যক্রম বন্ধে বিবাদীদের ব্যর্থতা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আশরাফ আলী, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সাঈদ আহমেদ কবীর।

রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নওরোজ মো. রাসেল চৌধুরী।

সরকারি মালিকানাধীন আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেড (এপিএসসিএল) সোহাগপুর ও বাহাদুরপুর মৌজায় মেঘনা নদীর পাড় ও নদীর ভেতরের জায়গা অবৈধভাবে ভরাট করছে বলে জানান বেলার আইনজীবী সাঈদ আহমেদ কবীর। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলন করে নতুন সীমানাপ্রাচীরের ভেতরে জায়গা ভরাট করে দখলে নিয়েছে এপিএসসিএল কর্তৃপক্ষ। এতে পরিবেশগত বিপর্যয়ের পাশাপাশি নদীর গতিপথ পরিবর্তন, আশুগঞ্জ নৌবন্দর এলাকায় ব্যাপক নদীভাঙন ও নদীতে জেগে ওঠা চরসোনারামপুর গ্রামটি বিলীন হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। যে কারণে বেলা জনস্বার্থে ওই রিট করে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন