দেশে উগ্র মৌলবাদী শক্তির উত্থান ঠেকাতে সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছে নাগরিক সংগঠন ‘বাংলাদেশ রুখে দাঁড়াও’। সেই সঙ্গে মুক্ত চিন্তা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার পথ উন্মুক্ত রাখতে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
বাংলাদেশ রুখে দাঁড়াও-এর পক্ষে ১৫ বিশিষ্ট নাগরিক গতকাল শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানান। সংগঠনের অন্যতম আহ্বায়ক ও পদার্থবিজ্ঞানী অধ্যাপক অজয় রায়ের ছেলে অভিজিৎ রায়ের নির্মম হত্যাকাণ্ডে তীব্র ক্ষোভ ও ঘৃণা জানিয়ে তাঁরা এ বিবৃতি দেন। এসব নাগরিক অভিজিৎ হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় এনে শাস্তি কার্যকরের দাবি জানান।
বাংলাদেশ রুখে দাঁড়াও-এর সভাপতি আনিসুজ্জামান, আহ্বায়ক সুলতানা কামালসহ অন্য নাগরিকেরা বলেন, দেশে চলমান পরিস্থিতির শুরুতে বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে সব পক্ষকে তাঁরা সতর্ক করেছিলেন। তাঁরা বলেছিলেন, রাজনৈতিক বিরোধ, প্রতিহিংসা ও অসহিষ্ণুতা দেশে উগ্র মৌলবাদী শক্তির অপপ্রয়াস উসকে দিতে পারে। অভিজিৎ হত্যাকাণ্ড এ আশঙ্কাকে তীব্র করে তুলেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এ হত্যাকাণ্ড মুক্তবুদ্ধি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ওপর হামলা বলে আমরা মনে করি। লেখক অভিজিৎ রায়ের হত্যাকাণ্ডের ধরন থেকে আমরা আশঙ্কা করছি যে ইতিপূর্বে সংঘটিত ড. হুমায়ুন আজাদ, অধ্যাপক তাহের, ড. ইউনুছসহ সব হত্যাকাণ্ডের হোতা উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠীই এটি ঘটিয়ে থাকতে পারে।’
বিবৃতি দেওয়া অন্য নাগরিকেরা হলেন সৈয়দ শামসুল হক, কামাল লোহানী, সারওয়ার আলী, রাশেদা কে চৌধূরী, আবেদ খান, নাসিমুন আরা হক, জিয়াউদ্দিন তারিক আলী, এম এম আকাশ, সুপ্রিয় চক্রবর্তী, কাবেরী গায়েন, মোতাহার আখন্দ, লাইসা আহমেদ ও জিনাত আরা হক। বিজ্ঞপ্তি।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন