সব মানুষের আবার সেই উপজাত কেনারও সামর্থ্য নেই। তাঁরা ছেঁড়া কাপড় পরেন, ইচ্ছামতো কাপড় পরতে পারেন না। পাল্টানোর মতো কাপড় তাঁদের নেই। রাস্তায় ভিক্ষা চাইলে টাকা বা খাবার পাওয়া যায়, কাপড় পাওয়া যায় না।

আবার অনেকের বাড়িতেই কাপড়ের বাড়াবাড়ি। বিপণিবিতান–ফুটপাত থেকে কাপড় কিনে তাঁরা বাড়িঘর ভরে ফেলেন। বাড়তি কাপড় কী করে ফেলতে হয়, তা অনেকেই জানেন না। এঁটোকাঁটার সঙ্গে ময়লার পাত্রে রেখে দেন।

ফুলার রোডে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য চার–পাঁচটি আবাসিক এলাকা। উপাচার্য ভবনের উল্টো দিকে ‘উত্তর ফুলার রোড আবাসিক এলাকা’। এর ফটকের বাঁয়ে ফুটপাতে দরজাবিহীন একটি কাঠের আলমারি রাখা। সব মিলিয়ে চারটি তাক। দুটি তাকে তিনটি কাপড়।

আলমারির গায়ে এবং পাশে টাঙানো ব্যানারে লেখা: যাঁদের প্রয়োজন নিন। যাঁরা সহযোগিতা করতে চান এখানে রাখুন।– এ বি বি পি এফ।

বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় পুরোনো বইপত্র–সংবাদপত্র কেনাবেচার ব্যবসা করেন রমজান। কে কাপড় রাখে, কে কাপড় নেয়—এমন প্রশ্নের উত্তরে রমজান বলেন, ‘আপনাদের মতো মানুষ রাখে। বুয়ারা আর রিকশায়ালারা নিয়ে যায়।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন