বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম বলেন, লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ক্রমাগত ও কার্যকর কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলে এ ইতিবাচক ফলাফল এসেছে।

বাংলাদেশের হাইকমিশনার আশা প্রকাশ করে বলেন, ৪ অক্টোবর ব্রিটেনের ভ্রমণব্যবস্থার ভবিষ্যৎ পর্যালোচনায় বাংলাদেশকে সবুজ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যে ভ্রমণকারীদের ১০ দিনের হোটেল কোয়ারেন্টিনের প্রয়োজন হবে না। তবে তাঁদের যুক্তরাজ্য অনুমোদিত দুই ডোজ করোনার টিকা দেওয়া থাকতে হবে। এ ছাড়া যুক্তরাজ্যে পৌঁছানোর পর দ্বিতীয় দিন বা এর আগে একটি কোভিড-১৯ প্রি-ডিপার্চার পরীক্ষা এবং একটি কোভিড-১৯ পরীক্ষা করাতে হবে।

যাঁদের যুক্তরাজ্যের অনুমোদিত টিকার পূর্ণ ডোজ দেওয়া হয়নি, তাঁদের অবশ্যই বাড়িতে বা যেখানে তাঁরা অবস্থান করছেন, সেখানে ১০ দিনের জন্য কোয়ারেন্টিন করতে হবে। অবশ্যই যুক্তরাজ্যে গিয়ে প্রথম দিন দ্বিতীয় দিন এবং অষ্টম দিন কোভিড পরীক্ষা করতে হবে। যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্যমতে তাদের অনুমোদিত করোনার টিকাগুলো হলো মডার্না, অক্সফোর্ড–অ্যাস্ট্রাজেনেকা, ফাইজার–বায়োএনটেক ও জনসন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন