এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিজিআর (ওয়াশিংটনভিত্তিক লবিস্ট প্রতিষ্ঠান) বাদ দেওয়া হয়নি। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরবে। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোর তথ্য জানাবে প্রতিষ্ঠানটি। পাশাপাশি এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে সহায়তা করবে।

শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘সামান্য যে আর্থিক সংশ্লিষ্টতা, তাতে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রেগুলেশন (পিপিআর) প্রয়োজন কি না, তা আমার জানা নেই। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের পর স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মাসে ২০ হাজার ডলার চুক্তিতে প্রতিষ্ঠানটির (নেলসন মুলিন্স) সঙ্গে চুক্তি হয়েছে।’

প্রতিষ্ঠানটির কাজ কী হবে জানতে চাইলে শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘মূলত দুই দেশের সরকারের মধ্যে সম্পর্কোন্নয়ন মূল কাজ। মার্কিন প্রশাসন ব্যাপক জায়গা। আমাদের এখানে যেমন বিদেশি কেউ এলে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে কিংবা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করলে ঠিকানায় পৌঁছে যান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক ব্যবস্থা আলাদা। একটি দূতাবাস ও চার-পাঁচজন কর্মকর্তা দিয়ে সব জায়গায় পৌঁছানো সম্ভব নয়। সরকারি পর্যায়ের সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি নতুন জায়গায় পৌঁছাতে কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি।’

বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের চাপে আছে বলে এটা করা হচ্ছে কি না, জানতে চাইলে শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘নট অ্যাট অল। চাপে নয়। বাংলাদেশ সম্পর্কে ভুল ধারণা ও বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচার বন্ধ করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ প্রতিষ্ঠানটিকে লবিস্ট প্রতিষ্ঠান বলা যাবে কি না, জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অবশ্যই বলা যাবে।’

এর আগে গত মঙ্গলবার র‌্যাবের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য বাংলাদেশের হয়ে মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা করার কথা বলেন শাহরিয়ার আলম। ওই দিন তিনি বলেন, ‘র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে আমাদের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি আইনি প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। (বিষয়টি সুরাহার জন্য) আমাদের হয়ে কথা বলার জন্য মামলা লড়তে প্রতিনিধি নির্বাচিত করার বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে।

চূড়ান্তভাবে আইনি পদক্ষেপের দিকে যাব কি না, সেটা এখনই বলব না। তবে আমরা তিনটি আইনি পরামর্শক সংস্থার সঙ্গে কথা বলেছি। সেখান থেকে সবচেয়ে ভালো পরামর্শটি নিয়ে এ সপ্তাহে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন