ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কুটি ইউনিয়নের জাজিয়ারা গ্রামে যৌতুকের জন্য গৃহবধূ আম্বিয়া বেগমকে (২০) স্বামী ও ভাশুর মিলে নির্যাতন করে গ্রামের রাস্তায় ফেলে রাখেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গৃহবধূ বাদী হয়ে গতকাল সোমবার সকালে কসবা থানায় অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাজিয়ারা গ্রামের ফজলুল হকের মেয়ে আম্বিয়া বেগমের (২০) সঙ্গে আট মাস আগে একই গ্রামের সোহাগ মিয়ার (২৫) বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে দুই লাখ টাকা যৌতুক দাবি করতে থাকেন সোহাগ। যৌতুকের টাকা এনে দিতে রাজি না হওয়ায় গত শনিবার বিকেলে স্বামী ও ভাশুর রুবেল মিয়া মিলে আম্বিয়াকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন। একপর্যায়ে সংজ্ঞা হারিয়ে ফেললে তাঁকে গ্রামের রাস্তায় নিয়ে ফেলে রেখে আসেন। আম্বিয়া বর্তমানে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

সংজ্ঞা ফিরে এলে আম্বিয়ার চিৎকারে স্থানীয় ব্যক্তিরা এবং ওই গৃহবধূর বাবার বাড়ির লোকজন এসে তাঁকে উদ্ধার করে কসবা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। অবস্থার অবনতি হলে গত রোববার তাঁকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। অভিযুক্ত সোহাগ, তাঁর ভাইসহ আম্বিয়ার শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছেন।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন