বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একটি রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১১ সালে হাইকোর্ট যৌন হয়রানি বন্ধে যেসব নির্দেশনা দিয়েছেন, সেগুলোর বাস্তবায়ন এবং এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নে নতুন কোনো আইন প্রয়োজন আছে কি না, তা নিয়ে কমিটিতে আলোচনা হয়। এই বৈঠকে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পার্লামেন্টারিয়ানস অন পপুলেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিপিএডি) সদস্যদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়। কমিটি যৌন হয়রানি প্রতিরোধে অধিকতর জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সঙ্গে বৈঠক করতে বিএপিপিডিকে পরামর্শ দেয়।

বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য বিএনপির সাংসদ রুমিন ফারহানা প্রথম আলোকে বলেন, বৈঠকে তিনি বলেছেন দেশে যৌন নীপিড়নসংক্রান্ত আইনের অভাব নেই। অনেকগুলো আইন আছে, এখন নতুন আইনের প্রয়োজন নেই। এখন যেটা প্রয়োজন সেটা হলো গণসচেতনতা তৈরি করতে হবে। জনসচেতনতা তৈরি করে জন্ম নিয়ন্ত্রণ, অ্যাসিড–সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভালো ফল এসেছে। পাশাপাশি দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধ যতগুলো ঘটে তার ২-৩ শতাংশ ক্ষেত্রে মামলা হয়। সাজা হয় আরও কম। বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

কমিটির সভাপতি শহীদুজ্জামান সরকারের সভাপতিত্বে কমিটির সদস্য আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, মোস্তাফিজুর রহমান, শামসুল হক, গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার, রুমিন ফারহানা, সেলিম আলতাফ জর্জ ও খোদেজা নাসরিন আক্তার হোসেন বৈঠকে অংশ নেন।

এ ছাড়া সংসদ সদস্য আব্দুস শহীদ, আ স ম ফিরোজ, আ ফ ম রুহুল হক, হাবিবে মিল্লাত, শিরিন আক্তার, নাহিদ ইজাহার খান, আদিবা আনজুম, উম্মে ফাতেমা নাজমা বেগম, শামীমা আক্তার খানম বিশেষ আমন্ত্রণে যোগ দেন।