বিজ্ঞাপন

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রংপুরে করোনার টিকা এসেছে ১ লাখ ১৪ হাজার ডোজ। এ টিকা দেওয়া শুরু হয় গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে। রংপুরের আট উপজেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকার জনগণকে প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ এ টিকা থেকেই দেওয়া হয়। বর্তমানে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া বন্ধ রয়েছে। বর্তমানে ৫০০ ডোজ টিকা রয়েছে। এসব টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হলেই রংপুরে টিকার মজুত শেষ হয়ে যাবে।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার জেলার করোনার নমুনা পরীক্ষার জন্য বিদ্যালয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে দেখা গেছে, আগের থেকে এখন নতুন করে লোকজন নমুনা পরীক্ষার জন্য আবারও ভিড় করছেন। লোকজন তাঁদের শরীরে বিভিন্ন উপসর্গের কারণে কৌতূহলবশত নমুনা পরীক্ষা করছেন বলে জানা যায়।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ১০ জন। কিন্তু নমুনা সংগ্রহ করা হয় ৯০ জনের। আর পরীক্ষা করা হয় ৬৩ জনের।
স্বাস্থ্য বিভাগ আশঙ্কা প্রকাশ করছে, যাঁরা বৈধ পথে ভারত থেকে এসেছেন, তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে কোয়ারেন্টিনে রাখা সম্ভব হচ্ছে। কিন্তু অবৈধ পথে যাঁরা যাতাযাত করেন, তাঁদের দেহে করোনা শনাক্ত করা সম্ভব নয়। এ ছাড়া সামনে কোরবানির ঈদ। এ ঈদকে ঘিরে ভারতীয় গরু, মসলাসহ বিভিন্ন পণ্য আনা–নেওয়া করে চোরাকারবারিরা। সীমান্তে কঠোর নজরদারি না বাড়ালে চোরাকারবারিদের মাধ্যমে করোনা সংত্রমণ বেড়ে যেতে পারে, এমনটাই আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্য বিভাগ।

রংপুর স্বাস্থ্য বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক আহাদ আলী প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিভাগীয় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিবিষয়ক আজকের বৈঠকে সীমান্তে কড়াকাড়ি আরোপের বিষয়টি আমি গুরুত্বসহকারে দেখার জন্য বলেছি। আর তা না হলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের মতো হয়ে উঠতে পারে। বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের বৈঠকে বিষয়টি গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন