জিআরপি থানায় জনবল-সংকট

রাজবাড়ী-গোপালগঞ্জ রেলপথ অরক্ষিত

বিজ্ঞাপন

রাজবাড়ী জিআরপি থানায় জনবল-সংকটের কারণে জেলার কালুখালী রেলস্টেশন থেকে গোপালগঞ্জের ভাটিয়াপাড়া রেলস্টেশন পর্যন্ত পুনঃস্থাপিত ৮২ কিলোমিটার রেলপথ অরক্ষিত রয়েছে।

রাজবাড়ী রেলওয়ে থানা (জিআরপি থানা) সূত্রে জানা যায়, ব্রিটিশ আমলের জনবল কাঠামো দিয়ে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ঘাট থেকে মাছপাড়া পর্যন্ত ৫৫ কিলোমিটার রেলপথ দেখভাল করা হচ্ছে। এখানে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একটি, উপপরিদর্শকের তিনটি, সহকারী উপপরিদর্শকের দুটি এবং কনস্টেবলের ২০টি পদ রয়েছে। এর মধ্যে উপপরিদর্শকের একটি ও কনস্টেবলের দুটি পদ শূন্য।

প্রতিদিন এই রেলপথ দিয়ে পাঁচটি ট্রেন যাতায়াত করে। প্রতি ট্রেনে মাত্র দুজন কনস্টেবল দিলেই ১০ জন এবং থানায় সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালনের জন্য অন্তত ছয়জন পুলিশ দরকার। অথচ রাজবাড়ী রেলস্টেশন থেকে ফরিদপুর হয়ে গোপালগঞ্জের ভাটিয়াপাড়া রেলস্টেশনের ১০৭ কিলোমিটার রেলপথ রক্ষণাবেক্ষণে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। কারণ রাজবাড়ীর কালুখালী রেলস্টেশন থেকে ভাটিয়াপাড়া পর্যন্ত গত ২ নভেম্বর চালু হওয়া ৮২ কিলোমিটার রেলপথ দেখভালের জন্য আলাদা কোনো পুলিশ নেই। এ ছাড়া অবরোধ ও হরতালের সময় নাশকতা রোধে নজরদারির জন্য অস্থায়ীভাবে একটি ট্রলি দেওয়া হলেও এই রেলপথে নজরদারির জন্য স্থায়ী কোনো ট্রলি নেই।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক অবরোধে রাজবাড়ীতে ট্রেনে ও রেলপথে আগুন, প্যান্ড্রল ক্লিপ, ফ্লিশপ্লেট খুলে নাশকতা সৃষ্টির অন্তত ছয়টি ঘটনা ঘটেছে। এতে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে।

রাজবাড়ী জিআরপি থানার ওসি আবদুল গফুর মিয়া জানান, ব্রিটিশ আমলের জনবল কাঠামো দিয়ে এখনো রেল চলছে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানোর পরেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন