রাজশাহী জেলা জামায়াতের আমির আবদুল খালেককে (৫০) গতকাল শনিবার গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে নাশকতার মামলা রয়েছে। এ ছাড়া গত শুক্রবার দিবাগত রাতে গোদাগাড়ী উপজেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি রবিউল ইসলামকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এদিকে নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার দুপুর ১২টার দিকে সাতক্ষীরা শহরের খুলনা রোড মোড়ে অবস্থিত একটি বেসরকারি সংস্থার কার্যালয় থেকে পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে।
গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আবু ফরহাদ জানান, জামায়াতের নেতা আবদুল খালেক ও শিবিরের নেতা রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে নাশকতার অভিযোগে দুটি মামলা রয়েছে। তাঁরা দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। গত শুক্রবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে রবিউল ইসলামকে শ্রীমন্তপুর এলাকার একটি বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর আবদুল খালেককে গতকাল বেলা দেড়টার দিকে উপজেলার রেলগেট বাইপাস সড়ক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি এমদাদুল হক বলেন, দীর্ঘদিন থেকে জেলা শহরের খুলনা রোডের মোড়ে প্রত্যয় নামের একটি বেসরকারি সংস্থার কার্যালয় খুলে সেখানে বসে নাশকতা ও সহিংসতার পরিকল্পনায় সভা করে আসছিলেন জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা। গতকাল এ ধরনের বৈঠক চলার সময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে শিবিরের তিন নেতাসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও প্রত্যয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক উপজেলার ভদ্রখালি গ্রামের সিরাজুল ইসলাম (২৯), উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নলতা গ্রামের আজগর আলী (২৭), সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক প্রত্যয়ের সহসভাপতি একই গ্রামের রফিকুল ইসলাম (২৫); শিবির কর্মী একই উপজেলার সেকেন্দারা গ্রামের আবু সালেহ (২৫), ধলবাড়িয়া গ্রামের মোস্তাফিজুর রহমান (২২), মৌতলা গ্রামের ইসলাম গাজী (২৩) এবং সাতক্ষীরা সদর উপজেলার মিয়াসাহেবেরডাঙ্গী গ্রামের আলতাফ হোসেন (২৩)।
পুলিশি হেফাজতে থাকাকালে গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তিরা দাবি করেন, তাঁরা আগে শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও বর্তমানে প্রত্যয় নামের বেসরকারি সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ করে আসছেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0