বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আবদুল্লা আল-মামুন ভূঁঞা প্রথম আলোকে বলেন, শিক্ষকদের কোয়ার্টারের ওই ভবনের তিনতলার পূর্ব পাশের ফ্ল্যাটে তিনি ও তাঁর স্ত্রী বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাহমুদা আকতার থাকেন। বিপরীত দিকের ফ্ল্যাটে একজন কর্মকর্তা থাকেন। ঈদের ছুটিতে তাঁরা বাসায় ছিলেন না। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ওই কর্মকর্তার স্ত্রী বাসা থেকে বের হতে গিয়ে দেখেন, তাঁদের গেটটি বাইরে থেকে আটকানো। কোনোভাবে তাঁরা সেটি খুলে বাসা থেকে বের হয়ে দেখেন সামনের ফ্ল্যাটে একটি অকেজো তালা ঝুলছে। এরপর তাঁরা দ্বিতীয় তলার এক শিক্ষককে খবর দেন। ওই শিক্ষক তখন আবদুল্লা আল-মামুনকে ফোন করে বিষয়টি জানান। তাঁর অনুমতিতে ভেতরে প্রবেশ করে দেখেন সব তছনছ অবস্থায় পড়ে আছে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়।

আবদুল্লা আল-মামুন আরও বলেন, ‘আমি গতকাল শুক্রবার এসে দেখি ঘর এলোমেলো হয়ে আছে। চোরেরা সোনার গয়না, মেডেল মিলিয়ে প্রায় চার-পাঁচ ভরি সোনা চুরি করেছে। এ ছাড়া প্রায় ২০ হাজার টাকা খোয়া গেছে। তবে ফোন, ল্যাপটপসহ ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলো চুরি হয়নি। বাসার নিচতলার গেটে সাধারণত তালা দেওয়া হয় না। তাই চোর হয়ত সরাসরি তিনতলায় চলে আসতে পেরেছিল।’

মতিহার থানার ওসি আনোয়ার আলী আজ দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, বাসায় চুরির ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষক থানায় এসে মামলা করেছেন। আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন