বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম আজ মঙ্গলবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয় থেকে একটি নির্দেশনা দিয়েছে। সেই নির্দেশনা আমরা উপকমিশনারদের পাঠিয়েছি। ডিএমপির প্রতিটি বিভাগে পুলিশকল্যাণ সভা হচ্ছে। সেখানে ডিসিরা ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারসহ নানা নির্দেশনা দিচ্ছেন।’

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ডিএমপির কিছু পুলিশ সদস্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার করছেন। এ ধরনের কার্যকলাপ রোধে পোস্টদাতাকে চিহ্নিত করে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ডিএমপি সদর দপ্তর থেকে পাঠানো ওই নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, পুলিশের পোশাক ব্যবহার করে অথবা পুলিশবিষয়ক কোনো পোস্ট ফেসবুকে আপলোডের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। এ ছাড়া সরকারি প্রতিষ্ঠানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯ মেনে চলতে বলা হয়েছে।

ডিএমপির সদস্যদের বেতন থেকে টাকা কেটে নেওয়ার বিষয়েও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে এ নির্দেশনায়। চিঠিতে ডিএমপি জানায়, ‘ডিএমপিতে কর্মরত অনেক পুলিশ সদস্য বেতন থেকে টাকা কর্তন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নেতিবাচক পোস্ট, কমেন্ট করে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন। বেতন থেকে যে টাকা কর্তন করা হয়, তা সব পুলিশ সদস্যের কল্যাণের জন্য ব্যয় হয়। অপ্রাসঙ্গিক কোনো কর্তন হয় না।’

বেতন কর্তনবিষয়ক ব্যাখ্যায় ডিএমপি আরও জানায়, ‘বর্তমানে কমিউনিটি ব্যাংক দুই বছর অতিক্রম করছে। ব্যাংকটির শেয়ারের জন্য বেতনের যে অংশ কর্তন করা হয়েছিল, তা আগামী এক বছর পর লভ্যাংশে যাবে। কারণ, ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী প্রথম তিন বছর কোনো লভ্যাংশ দেওয়া যায় না। যাঁরা অবসরে যাবেন, তাঁরা আবেদন সাপেক্ষে বিনিয়োগ করা টাকা উত্তোলনপূর্বক শেয়ার প্রত্যাহার করতে পারবেন।’
এ ছাড়া শপিং মল নির্মাণ ও স্কুল-কলেজের নামে কোনো অর্থ কর্তন হয়নি বলেও জানানো হয় ওই নির্দেশনায়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন