রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, কারাগারে ৬

বিজ্ঞাপন
default-image

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় এক কিশোরীকে (১৬) রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ ছয় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। আজ মঙ্গলবার আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠিয়েছেন।

গতকাল সোমবার রাতে একটি ইটভাটার পাশে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন রাসেল আহম্মেদ (৩৮), সুজন মিয়া (২৩), শাহাদাত হোসেন (২২), সুমন (২২), রবিন (২৩) ও আল আমিন (২১)। তাঁরা সবাই ফতুল্লার রেললাইন এলাকায় বসবাস করেন।

এ ব্যাপারে আজ দুপুরে ফতুল্লা মডেল থানায় ভারপ্রাপ্ত জেলা পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলন করেন। তিনি বলেন, ওই কিশোরী নারায়ণগঞ্জের গোপচর ফকিরবাড়ি এলাকার একটি মশার কয়েল কারখানায় কাজ করত। গতকাল সন্ধ্যায় সে তার চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে একটি পোশাক কারখানায় কাজ নেওয়ার জন্য ফতুল্লায় যায়। ফেরার পথে ফতুল্লার ইদ্রাকপুর এলাকায় কয়েকজন বখাটে তাদের পথরোধ করে। দুজন তার চাচাতো ভাইকে মারধর করে সঙ্গে থাকা ৩ হাজার ৪০০ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে তাড়িয়ে দেয়।

মনিরুল ইসলাম বলেন, অন্যদিকে ছয় বখাটে ওই কিশোরীকে একটি ইটভাটার পাশের টং দোকানে নিয়ে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়লে এ ঘটনা কাউকে না জানানোর হুমকি দিয়ে একটি অটোরিকশায় তুলে দেয় বখাটেরা। তবে কিশোরী বিষয়টি পুলিশে অবহিত করলে রাতেই ওই ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মনিরুল ইসলাম জানান, এই ছয়জনের বিরুদ্ধে কিশোরী ফতুল্লা মডেল থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছে। সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান সিদ্দিকী, ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ওসি আসলাম হোসেন বলেন, আসামিরা আজ নারায়ণগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আদালত তাঁদের কারাগারে পাঠিয়েছেন। ওই কিশোরীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন