default-image

জাগৃতি প্রকাশনীর প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপন হত্যা মামলায় আট আসামিকেই মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এই রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন নিহত ব্যক্তির স্ত্রী চিকিৎসক রাজিয়া রহমান।

আজ বুধবার সকালে আদালত মামলার রায় ঘোষণা করেন। এ সময় দীপনের স্ত্রী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রায়ের প্রতিক্রিয়ায় চিকিৎসক রাজিয়া রহমান সাংবাদিকদের বলেন, এই রায়ে তিনি সন্তুষ্ট। তবে রায় দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান রাজিয়া রহমান।

বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনাকারী সরকারি কৌঁসুলি গোলাম সারোয়ার জাকির প্রথম আলোকে বলেন, প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপন হত্যার দায়ে আট জঙ্গির ফাঁসি হয়েছে। এ রায় রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী এ বি এম খায়রুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আবেদন করা হবে।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আট আসামি হলেন মইনুল হাসান শামীম ওরফে সিফাত সামির, আবদুস সবুর ওরফে আবদুস সামাদ, খাইরুল ইসলাম ওরফে জামিল রিফাত, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব সাজিদ, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন, শেখ আবদুল্লাহ ওরফে জুবায়ের, চাকরিচ্যুত মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক ও আকরাম হোসেন ওরফে হাসিব। তাঁদের মধ্যে জিয়া ও আকরাম পলাতক।

রায় ঘোষণা উপলক্ষে আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কারাগারে থাকা ছয় আসামিকে আদালতের এজলাসে তোলা হয়। এ সময় আসামিদের প্রত্যকের গায়ে ছিল বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, মাথায় হেলমেট। রায় ঘোষণা উপলক্ষে আদালতের ভেতরে ও বাইরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। আদালত এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কড়া নজরদারি চালায়।

এ মামলায় গত ২৪ জানুয়ারি উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি নিয়ে আদালত ১০ ফেব্রুয়ারি (আজ) রায় ঘোষণার দিন রাখেন। সে অনুসারে আজ রায় ঘোষণা করা হলো।

বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রপক্ষে এই মামলায় ২৩ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির করা হয়।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৫ সালের ৩১ অক্টোবর শাহবাগ এলাকার আজিজ কো-অপারেটিভ সুপার মার্কেটের তৃতীয় তলায় জাগৃতি প্রকাশনীর অফিসে ফয়সল আরেফিন দীপনকে ঘাড়ের পেছনে আঘাত করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা অফিসের দরজা বন্ধ করে পালিয়ে যায়। মামলাটি তদন্ত করে ২০১৮ সালের ১৬ অক্টোবর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।

আদালত ওই অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ২০১৯ সালের ২২ অক্টোবর অভিযোগ গঠন করেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, প্রযুক্তিগত তদন্তে জানা যায়, নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন

আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্যরা ফয়সল আরেফিন দীপনকে হত্যা করেছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন