বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদেশে আরও বলা হয়, যাঁরা এসব সুবিধা চাচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে ও যেসব মুঠোফোন নম্বর থেকে যোগাযোগ করা হচ্ছে, সেগুলোর ব্যবহারকারী ব্যক্তির পরিচয় বের করতে রেলমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে রেলের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিভ্রান্ত না হয়ে দাপ্তরিক প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়া কোনো কার্যক্রম গ্রহণ না করার নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে রোববার দুপুরে রেলমন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী নূরুল ইসলাম বলেন, টিটিই মো. শফিকুল ইসলামকে বরখাস্ত করার ঘটনায় তিনি বিব্রত। এতে তাঁর (মন্ত্রীর) কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। কিন্তু মানুষের কাছে বার্তা যেভাবে গেছে, তা সঠিক হয়নি।

ইতিমধ্যে ট্রেন টিকিট পরীক্ষক (টিটিই) শফিকুল ইসলামকে কাজে বহাল করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, পাকশীর বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তাকে (ডিসিও) কারণ দর্শাতে বলা হবে।

রেল পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, টিকিট ছাড়া রেলে উঠলে সেটা অবশ্যই দেখতে হবে। আবার এমন আচরণও করা যাবে না, যাতে রেলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। একমাত্র মন্ত্রী, রেলের ডিজি (মহাপরিচালক) ও সচিব ছাড়া আর কারও বিনা টিকিটে ট্রেনে ভ্রমণের সুযোগ নেই।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মন্ত্রীর ছেলে হোক, স্ত্রী হোক, দলের নেতা হোক, এমপি হোক—অন্য কারও বিনা টিকিটে রেলভ্রমণের সুযোগ নেই। আপনি যখনই রেলে উঠবেন, আপনার পরিচয় আপনি যাত্রী। শর্ত পূরণ করেই আপনাকে যাত্রী হতে হবে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে খুলনা থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনে ঈশ্বরদী রেলওয়ে জংশন থেকে বিনা টিকিটে তিন যাত্রী ঢাকায় যাচ্ছিলেন। তাঁরা ট্রেনের এসি কামরায় বসে ছিলেন। তাঁদের কাছে ভাড়া চাইলে টিটিইর সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়।

পরে ওই তিন যাত্রী নিজেদের রেলমন্ত্রীর আত্মীয় বলে পরিচয় দেন। টিটিই শফিকুল ইসলাম তাঁদের কাছ থেকে ১ হাজার ৫০ টাকা ভাড়া নিয়ে এসি কামরা থেকে শোভন কামরায় পাঠান। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই মুঠোফোনে টিটিই শফিকুলকে সাময়িক বরখাস্তের বিষয়টি জানানো হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন