বিজ্ঞাপন

আজ বৃহস্পতিবার সমিতির সভাপতি অধ্যাপক এ এ মামুন এবং সম্পাদক অধ্যাপক মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন এই নিন্দা জানান। সমিতি বলছে, সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পরও সচিবালয়ের মতো রাষ্ট্রের শীর্ষ প্রশাসনিক দপ্তরে নির্যাতনে অসুস্থ হয়ে পড়া এই অনুসন্ধানী সাংবাদিককে কোনো ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এরূপ আগ্রাসী নির্যাতনের ঘটনায় এই প্রশ্ন জাগাটা অস্বাভাবিক নয় যে রাষ্ট্রীয় স্পর্শকাতর গোপন নথির কথা বলে কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের অনিয়ম আড়াল করার চেষ্টা হচ্ছে কি না।

এই ঘটনার সুষ্ঠু সুরাহা না হলে দেশের সাধারণ মানুষের কাছে ও বিদেশে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের পদক্ষেপ প্রশ্নবিদ্ধ হবে। এমনকি এই ঘটনাকে দেশের গণমাধ্যমের ওপর আমলাতন্ত্রের কর্তৃত্ববাদী হস্তক্ষেপ বলে সচেতন মহল মনে করছে। তাই বিভিন্ন পেশার শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া অতীব জরুরি।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন