চিঠিতে অ্যামনেস্টি লিখেছে, পুরস্কারজয়ী সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম করোনা মহামারির সময় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের অনিয়ম নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ খবর প্রকাশ করেছেন। মামলার কারণে তাঁকে এখনো হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে।

পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় গত বছরের ১৭ মে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে রোজিনা ইসলামকে আটকে ছয় ঘণ্টা হেনস্তা করা হয়। পরে তাঁর বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলা দেওয়া হয়। এক সপ্তাহ কারাগারে থেকে জামিনে মুক্ত হন রোজিনা ইসলাম।

অ্যামনেস্টি বলেছে, ‘এক বছর হয়ে গেলেও রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। রোজিনা ইসলাম যেন আর হয়রানির শিকার না হন এবং তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো যেন প্রত্যাহার করা হয়, সে বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আপনার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন