বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস বলছে, সোমবার থেকে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের বেশির ভাগ স্থান, সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার এবং দেশের দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলের যশোর–চুয়াডাঙ্গাসহ আশপাশের এলাকায় শৈত্যপ্রবাহ সীমাবদ্ধ থাকতে পারে। এসব এলাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে। রাজধানীসহ দেশের প্রধান শহরগুলোতে আপাতত কোনো ধরনের শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা নেই। তবে এখানকার তাপামাত্রা আগামী কয়েক দিন এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।

এ বিষয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, এই শৈত্যপ্রবাহটি মূলত দেশের উত্তরাঞ্চলসহ কয়েকটি এলাকাজুড়ে বিস্তৃত থাকবে। তবে রাজধানীর তাপমাত্রা সব সময় স্বাভাবিকের চেয়ে দুই থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি থাকে। তাই এখানে সাধারণত শৈত্যপ্রবাহ টের পাওয়া যায় না। জানুয়ারির শুরুতে মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ শুরু হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রোববার থেকে দেশের বেশির ভাগ এলাকায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। দেশের বেশির ভাগ নদীতীরবর্তী এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়তে পারে। তবে শহর এলাকায় কুয়াশা আর ধুলা মিলে সাধারণত ধোঁয়াশা তৈরি হয়, যা দৃষ্টিসীমা কমিয়ে দিয়ে থাকে।

# আজ দিনের তাপমাত্রাও কমবে
কাল থেকে শৈত্যপ্রবাহ ছড়াবে।
# তেঁতুলিয়া ও শ্রীমঙ্গলের তাপমাত্রা
১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে।

ধুলা ও ধোঁয়ার কারণে রাজধানীসহ দেশের বেশির ভাগ এলাকার বায়ুর মান ছিল অস্বাস্থ্যকর। আন্তর্জাতিক সংস্থা এয়ার ভিজ্যুয়ালের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী শনিবার বেশির ভাগ সময় রাজধানীর বায়ুর মানের সূচক ছিল ১৫০ থেকে ১৮০–এর মধ্যে। বিশ্বের প্রধান শহরগুলোর মধ্যে বায়ুদূষণের দিক থেকে ঢাকার অবস্থান ছিল ৮ থেকে ১৫–এর মধ্যে। এ ধরনের বায়ুদূষণ শিশু ও বৃদ্ধদের জন্য বেশ ক্ষতিকারক। এ ধরনের বায়ু থেকে নিরাপদ স্থানে থাকার জন্য পরামর্শ দেয় সংস্থাটি।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, শনিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায় ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর শ্রীমঙ্গলের তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারের টেকনাফে ২৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন