default-image

সারা দেশে চলমান ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ স্থগিতের পাশাপাশি সরকারিসহ সব অফিস খুলে দিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনা চেয়ে রিট করা হয়েছে।

আজ রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করা হয়। রিটে ভবিষ্যতে আর যাতে ‘লকডাউন’ না দেওয়া হয়—সে বিষয়ে রুল চাওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ আবেদনকারী হয়ে ওই রিট দায়ের করেন। পরে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চে চলতি সপ্তাহে রিটটি উপস্থাপন করা হবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার প্রথমে ৫ এপ্রিল থেকে ৭ দিনের জন্য গণপরিবহন চলাচলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করে। পরে তা আরও দুই দিন বাড়ানো হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসায় ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত আরও কঠোর বিধিনিষেধ দিয়ে ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ শুরু হয়। নির্ধারিত এই সময় শেষ হওয়ার আগে ২০ এপ্রিল তা আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়। এ অবস্থায় সুপ্রিম কোর্টের ওই আইনজীবী ‘সর্বাত্মক লকডাউন’ স্থগিত চেয়ে আজ রোববার ওই রিট করলেন।

বিজ্ঞাপন

রিটের প্রার্থনায় দেখা যায়, চলাচলে বিধিনিষেধসংক্রান্ত ৫ এপ্রিল থেকে দেওয়া ‘লকডাউন’ বাড়িয়ে ২০ এপ্রিলের প্রজ্ঞাপন কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না—এ বিষয়ে রুল চাওয়া হয়েছে। রুল হলে তা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় সারা দেশে লকডাউনের কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়া হয়েছে। রিটে মন্ত্রীপরিষদ সচিব ও সরকারের জাতীয় কারিগরি উপদেষ্টা কমিটিকে বিবাদী করা হয়েছে।

পরে ইউনুছ আলী আকন্দ প্রথম আলোকে বলেন, জরুরি অবস্থা ঘোষণা ছাড়া জনগণের আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার, চলাচল ও পেশার অধিকারের মতো মৌলিক অধিকার খর্ব করা যায় না। ঘোষিত লকডাউন এবং এর মেয়াদ বাড়ানো আইনের দৃষ্টিতে সমতা (সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদ) ও চলাফেরার স্বাধীনতাসহ (সংবিধানের ৩৬ অনুচ্ছেদ) সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদের পরিপন্থী—এসব যুক্তিতে মূলত রিটটি করা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন