অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘দুটি আবেদনের একটি আবেদন খারিজ করেছেন আপিল বিভাগ। অন্যটিতে “নো অর্ডার” দিয়েছেন। ফলে লক্ষ্মীপুর-২ আসন শূন্য ঘোষণা এবং উপনির্বাচনের তফসিল বৈধ ও বহাল রইল। ধার্য তারিখে নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাধা নেই।’

ওই আসন থেকে স্বতন্ত্র হিসেবে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন কাজী শহিদ ইসলাম। তবে ঘুষ লেনদেনের দায়ে কুয়েতের আদালতে তিনি দণ্ডিত হলে গত ২২ ফেব্রুয়ারি আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়। পরে আসনটিতে উপনির্বাচনের জন্য তফসিল ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত তফসিল অনুসারে ১১ এপ্রিল ওই নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে তা পিছিয়ে ২১ জুন করা হয়।

ওই দুই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে শহিদ ইসলামের বোন নুরুন্নাহার বেগম এবং ওই আসনের বাসিন্দা একাদশ নির্বাচনে শহিদের মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবকারী শাহাদাত হোসেন হাইকোর্টে রিট করেন। শুনানি নিয়ে ৮ জুন হাইকোর্ট রিটটি সরাসরি খারিজ করে দেন। এই আদেশের বিরুদ্ধে রিট আবেদনকারীরা আপিল বিভাগে আবেদন করেন। শুনানি নিয়ে আবেদন খারিজ করে দেন আদালত।

অন্যদিকে উপনির্বাচনের জন্য ঘোষিত তফসিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন একাদশ নির্বাচনে ওই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী বিএনপির প্রার্থী আবুল খায়ের ভূঁইয়া। শুনানি নিয়ে ১৪ জুন হাইকোর্ট এই রিট আবেদন খারিজ করে দেন। এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করেন আবুল খায়ের। এর শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ আজ ‘নো অর্ডার’ দেন।

আদালতে শহিদ ইসলামের বোনসহ দুজনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান খান। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। আবুল খায়েরের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এইচ এম সানজীদ সিদ্দিকী।