মানিকগঞ্জের পাটুরিয়ায় পদ্মা নদীতে লঞ্চডুবির ঘটনায় আজ বুধবার আরও সাতটি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে ওই ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা ৭৮-এ দাঁড়াল। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন সাতজন।

আজ উদ্ধার হওয়া সাতটি লাশের মধ্যে ছয়জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁরা হলেন শিবালয় উপজেলার এলাচিপুর গ্রামের ছোরহাব আলী (৬০), দক্ষিণ তেওতা গ্রামের আবুল হাসেম (৬০) ও ছোট বোয়ালী গ্রামের সঞ্জিত সূত্রধর (৮), ঘিওর উপজেলার কুশন্ডা গ্রামের মান্নু পাগলা (৬৫), দৌলতপুর উপজেলার সমেতপুর গ্রামের ইমন মোল্লা (৮) এবং কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বিলকাটিয়া গ্রামের লিপি খাতুন (২২)।

পাটুরিয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (ওসি) শেখ গোলাম মোর্শেদ খাইরুল্লাহ জানান, লাশ উদ্ধারের জন্য পদ্মা নদীর ভাটিতে বিভিন্ন এলাকায় নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা নিয়মিত টহল দিচ্ছেন। আজ সকাল নয়টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত জেলার শিবালয় ও হরিরামপুর উপজেলায় পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর লাশগুলো পাটুরিয়া ঘাটে বিআইডব্লিউটিএর যাত্রীছাউনিতে আনা হয়। শনাক্তের পর ছয়জনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

গত রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে পাটুরিয়া লঞ্চঘাটের অদূরে একটি কার্গো এম ভি মোস্তফা নামের লঞ্চটিকে ধাক্কা দেয়। এতে লঞ্চটি উল্টে পদ্মা নদীতে ডুবে যায়। লঞ্চটিতে দুই শতাধিক যাত্রী ছিল।

বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন