বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ রোববার বিকেলে রাজধানী মতিঝিলে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) কার্যালয়ে সংস্থাটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে লঞ্চ মালিক সমিতির নেতাদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক শেষে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারি প্রথম আলোকে বলেন, ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হওয়ার পর ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। এখন থেকে লঞ্চ চলবে।

এর আগে বনানীতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সঙ্গে বাস মালিক সমিতির নেতাদের বৈঠকে বাসভাড়া গড়ে ২৭ শতাংশ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়।
বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে গত বুধবার রাতে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ৮০ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। এরপর ভাড়া বাড়ানোর দাবিতে গত শুক্রবার অঘোষিতভাবে বাস, ট্রাক ও অন্যান্য পণ্যবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন মালিকেরা। পরে তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়ে গতকাল শনিবার লঞ্চ চলাচলও বন্ধ করে দেন মালিকেরা।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিকেলে বাংলাদেশ লঞ্চ মালিক সমিতি এবং বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তারা। সেখানে ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে উভয় পক্ষের মতৈক্য হওয়ার পর লঞ্চ চলাচল শুরু করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিআইডব্লিউটিএ–এর চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক সাংবাদিকদের জানান, ভাড়া ৩৫ দশমিক ২৯ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। এতে লঞ্চভাড়া ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত কিলোমিটারপ্রতি ১ টাকা ৭০ পয়সার পরিবর্তে ৬০ পয়সা বৃদ্ধি করে ২ টাকা ৩০ পয়সা ও ১০০ কিলোমিটারের ঊর্ধ্বের জন্যও ৬০ পয়সা বৃদ্ধি করে ১ টাকা ৪০ পয়সার পরিবর্তে ২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। জনপ্রতি সর্বনিম্ন ভাড়া ১৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ টাকা করা হয়েছে।

সবশেষ ২০১৩ সালে যাত্রীবাহী নৌযানের ভাড়া পুনঃনির্ধারণ করা হয়। ২০১৩ সালের পর জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি না পাওয়ায় ভাড়া আর বাড়ানো হয়নি।

ভাড়া বাড়ানোর পর সময়সূচি অনুযায়ী লঞ্চগুলো ঢাকার সদরঘাট থেকে চাদপুর ও বরিশালসহ বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন