বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক এসএম আইউব হোসেন জানান, রাত পৌনে ১১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাবিব খাঁন মারা যান। এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখানে এখনো ১৩ জন ভর্তি আছেন।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, হাবিব খানের বাড়ি বরগুনা সদরের মধ্যম তেঁতুল বাড়ি গ্রামে। তাঁর বাবার নাম বেলায়েত আলী। গত সপ্তাহে তিনি স্ত্রী সাহেরা বেগমকে নিয়ে গাজীপুরে এসেছিলেন। গ্রামে ফেরার পথে দুর্ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে এমভি অভিযান-১০ নামের লঞ্চটি প্রায় ৮০০ যাত্রী নিয়ে ঝালকাঠি শহরের কাছাকাছি পৌঁছার পর সুগন্ধা নদীতে থাকা অবস্থায় হঠাৎ আগুন লাগে। দ্রুতই আগুন পুরো লঞ্চে ছড়িয়ে পড়ে। শীতের রাতে লঞ্চের বেশির ভাগ যাত্রী তখন ঘুমিয়ে ছিলেন। তিন ঘণ্টার আগুনে পুড়ে মারা গেছেন লঞ্চের অন্তত ৩৭ জন যাত্রী। আর প্রাণ বাঁচাতে লঞ্চ থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছিলেন যাঁরা, তাঁদের মধ্যে একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে নারী, পুরুষ ও শিশু কতজন, তা এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে চারজনের পরিচয় শনাক্তের পর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁদের লাশ ঝালকাঠি সদর হাসপাতাল থেকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আর ৩৩টি লাশ ঝালকাঠি থেকে বরগুনা সদর হাসপাতালে নিয়ে রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন