বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উদ্ধার করা বন্য প্রাণীগুলোর মধ্যে রয়েছে—একটি গুইসাপ, একটি অজগর, একটি মদনটাক, একটি ভুতুম প্যাঁচা, তিনটি বানর, একটি দাগি রাজহাঁস, একটি খয়রা চখাচখি, ১৭টি পাতি সরালি, একটি লোনা পানির কুমির, তিনটি চিত্রা হরিণ, একটি ম্যাকাও, একটি ময়ূর, একটি শিয়াল, একটি পালাসি ইগল, তিনটি তিলা ঘুঘু, একটি ধুপনী বক, একটি ভুবনচিল, একটি বাজপাখি, একটি উল্লুক, একটি লালচে হনুমান, দুটি শজারুসহ মোট ৪৯টি বন্য প্রাণী।

আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) লাল তালিকা অনুযায়ী উল্লুক, লোনা পানির কুমির, মদনটাক, দাগি রাজহাঁস, খয়রা চখাচখি, শজারু ও পালাসি ইগল মহাবিপন্ন প্রাণী।

মন্টু মিয়ার কথিত চিড়িয়াখানার ব্যবস্থাপক শরীফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘এগুলো আমাদের চিড়িয়াখানায় ছিল। আমরা চিড়িয়াখানার লাইসেন্সের জন্য অনেক দিন ধরে চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু আমাদের লাইসেন্স দেওয়া হয়নি। ২০০৪-০৫ সালের দিকে ঢাকা বিভিন্ন মাধ্যমে এই বন্য প্রাণীগুলো এখানে আনা হয়েছিল। লাইসেন্স না পাওয়ায় এগুলো আমরা হস্তান্তর করেছি।’

বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের বন্য প্রাণী পরিদর্শক আবদুল্লাহ আল সাদিক প্রথম আলোকে বলেন, ২০০৯ সালে এই বন্য প্রাণীগুলো একবার জিম্মায় নেওয়া হয়েছিল। তারা (মন্টু মিয়া) লাইসেন্স পাওয়ার জন্য চেষ্টা করেছে। কিন্তু পায়নি। এ অবস্থায় বন্য প্রাণীগুলো নিয়ে যাওয়া হলো।

বন অধিদপ্তর সূত্র জানায়, বন্য প্রাণীগুলোর বেশির ভাগের আবাসস্থল সুন্দরবনকেন্দ্রিক। তাই তাদের খুলনা বন্য প্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেসকিউ সেন্টারে রেখে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। প্রকৃতিতে ছাড়ার উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে। তারপর নিরাপদ প্রাকৃতিক পরিবেশে তাদের অবমুক্ত করা হবে।

বন অধিদপ্তর সূত্র আরও জানায়, উদ্ধার হওয়া কিছু বন্য প্রাণীর (উল্লুক, শজারু, লালচে হনুমান) আবাসস্থল সিলেট ও চট্রগ্রামকেন্দ্রিক। তাই তাদের গতকাল রাতে ঢাকায় আনা হয়েছে। ঢাকার বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট থেকে পরে এগুলোকে উপযুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হবে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন