default-image

মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা বলেছেন, লিঙ্গবৈষম্য নিরসনে গত ১০ বছরে সরকারের বাজেট বরাদ্দ ৫ গুণ বেড়েছে। ৪৩টি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ১ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকার বাজেট বাস্তবায়ন করছে সরকার।

আজ মঙ্গলবার ঢাকায় শিশু একাডেমি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে ‘স্ট্রেনদেনিং জেন্ডার রেসপন্সিভ বাজেটিং’ প্রকল্পের এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রকল্পটির আওতায় ‘নারী উন্নয়ন নীতি ২০১১’ বাস্তবায়নের জন্য জাতীয় কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে উইমেন ইন ডেভেলপমেন্ট (উইড) ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

বিজ্ঞাপন

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জেন্ডার রেসপন্সিভ বাজেটের মূল লক্ষ্য বৈষম্য হ্রাস ও সুযোগের সমতা সৃষ্টি। যার মাধ্যমে নারী-পুরুষের বৈষম্য দূর করে একটি সমতাপূর্ণ সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বে রোল মডেল সৃষ্টি করেছে। সমতাভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় ১৫৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম। এশিয়ায় শীর্ষে অবস্থান করছে। এ ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান ১১২তম। আমেরিকা, জাপান, চীনসহ অনেক শিল্পোন্নত ও পরাশক্তির দেশ বাংলাদেশের পেছনে অবস্থান করছে।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘২০০৯-১০ অর্থবছরে বাজেট ছিল ২৭ হাজার ২৪৮ কোটি টাকা। ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাজেট ১ লাখ ৬১ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা করা হয়েছে, যা মোট বাজেটের ৩০ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং জিডিপির ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ। গত ১০ বছরে বরাদ্দ বেড়েছে ৫ গুণ, মন্ত্রণালয় বেড়েছে ৩৯টি। জেন্ডার বাজেটের যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে নারীর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়ন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে জেন্ডার সমতা, শিশু ও মাতৃমৃত্যু হ্রাস, স্বাস্থ্য ও টিকাদানের ক্ষেত্রে ব্যাপক অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।’

ফজিলাতুন নেসা বলেন, ‘৪৩টি মন্ত্রণালয় ৩টি গুচ্ছে নারীর উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে ৯টি মন্ত্রণালয় কাজ করছে। সরকারি সেবাপ্রাপ্তিতে নারীর সুযোগ বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে সরকারের ২৫টি মন্ত্রণালয় কাজ করছে।’

মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী রওশন আক্তারের সভাপতিত্বে সভায় ৪৩টি মন্ত্রণালয়ের ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন