default-image

কারাগারে লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যু অনাকাঙ্ক্ষিত। মুশতাক আইনি বৈষম্যের শিকার। যেখানে খুনের আসামিরা জামিন নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, সেখানে লেখালেখির কারণে মুশতাককে এত দীর্ঘ সময়ে কারাবন্দী করে রাখাটা আইনি বৈষম্য।

আমরা বলছি দেশে গণতন্ত্র নেই। এটা তো আসলে কিছুই না। আসলে এই মৃত্যু বোঝাচ্ছে রাষ্ট্র ব্যবস্থাতে তো কিছুই নেই। শুধু গণতন্ত্র নেই, গণতন্ত্র নেই বোল, কোনো মানে হয় না।

বিজ্ঞাপন
default-image

মুশতাক আহমেদ সর্বশেষ ২৩ ফেব্রুয়ারি আদালতে হাজিরা দিয়েছিলেন। সেদিন তাঁকে দেখেছি। তাঁর এমন কোনো অসুস্থতা দেখিনি, যাতে মৃত্যু হতে পারে। আমার কাছে এই মৃত্যু খুবই রহস্যজনক মনে হচ্ছে। এ বিষয়ে স্বাধীন তদন্ত হওয়া দরকার।

বশ্য পুলিশকে দিয়ে নয়। স্বাধীন কোনো সংগঠনকে দিয়ে এই তদন্ত হওয়া দরকার।
বড় বড় অপরাধীরা আদালত থেকে জামিন পাচ্ছেন। আর মুশতাক আহমেদ জামিন পেলেন না। ছয়বার তাঁর জামিন আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। আমি মনে করি তাঁর জামিন পাওয়া উচিত ছিল। আদালতে সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে তাঁকে জামিন দিতে পারতেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন