বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শুনানির একপর্যায়ে আদালত রিট আবেদনকারীদের আইনজীবীর কাছে ই–কর্মাস বিষয়ে জানতে চান। আদালত বলেন, একটি আরেকটির সঙ্গে সম্পর্কিত। তখন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, কিছু গ্রাহক এসেছিলেন। তাঁরা টাকা দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গেটওয়ে দিয়ে। অফার দেওয়া হয়েছে, একটি মোটরসাইকেল কিনলে দুটি মোটরসাইকেল পাবে। অফার গ্রহণ করার পর বলেছে পেমেন্ট কীভাবে দেবে। বাংলাদেশ ব্যাংক একটি গেটওয়ে করে দিয়েছে। এই গেটওয়ে দিয়ে অনলাইনে টাকা পরিশোধ করে ই–অরেঞ্জ অ্যাকাউন্টে টাকাটা জমা হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গেটওয়ে দিয়ে এই পেমেন্টের অনুমোদন কেন দেওয়া হলো?
শিশির মনির বলেন, ই–অরেঞ্জের কাছে গিয়ে ওই টাকা কোথায় যাচ্ছে, এর কোনো লিংক পাওয়া যায় না। গ্রাহকেরা এক অর্থে প্রতারণার শিকার, আরেক অর্থে নিজেরা লোভের শিকার। একজন ৭০ লাখ টাকা দিয়েছেন। এই টাকা দিয়ে তিনি অনেক কিছু পাবেন। প্রথম তিনবার পেয়েছেনও। ফলে তাঁর বিশ্বাস জন্মেছে। কিন্তু শেষবার কিছু পাননি। এ জন্য লোভও দায়ী। বাংলাদেশ ব্যাংকের গেটওয়ে দিয়ে এই লেনদেন করতে দেওয়াটা ঠিক হয়নি।

শিশির মনির আরও বলেন, ‘আমাদের এখানে একটি কিনলে দুটি পেয়ে যাবে, এমন অফার দেওয়া হয়। অথচ আলিবাবা ও আমাজন অফার দেয়, পণ্যের দাম ২৬ ডলার, সঙ্গে পরিবহন খরচ দিতে হবে দুই দশমিক ছয় ডলার।’

এ সময় আইনজীবীর উদ্দেশে আদালত বলেন, ‘এখন আপনাদের দায়িত্ব। যাঁরা জনস্বার্থে মামলা করেন, তাঁরা গ্রাহকদের লোভ কমান। লোকজনকে সচেতন করেন যেন লোভে না পড়েন। বেশি করে পাবলিক ক্যাম্পেইন করেন।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন