বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কেন এগুলো বিশ্ব ঐতিহ্য হতে পারে

স্বীকৃতি পেতে আবেদনে বাংলা একাডেমি বলেছে, রাজশাহী অঞ্চলের বাসিন্দারা ঘরে শৌখিন সামগ্রী সংরক্ষণ এবং উৎসবে বিশেষ ধরনের শখের হাঁড়ি তৈরি করে। মূলত কৃষিপ্রধান ওই অঞ্চলের বড় বড় হাটে বিভিন্ন ধরনের শৈল্পিক কারুকার্যমণ্ডিত পাত্র বিক্রি হয়। দুই যুগ আগেও রাজশাহী অঞ্চলের সাড়ে চার হাজার পরিবার এ হাঁড়ি তৈরি করত। এখন হাতে গোনা কয়েকটি পরিবার মেলা উপলক্ষে তা করে থাকে।

চর্যাগীতিকে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন মনে করা হয়। হাজার বছর আগে এখানকার গায়ক, সাধকেরা চর্যাগীতির চর্চা করতেন। এটি হারিয়ে যাওয়ার পর ১৯০৭ সালে পণ্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী তা নেপালের রাজদরবারের মহাফেজখানা থেকে উদ্ধার করেন। পরে আবারও নতুনভাবে এর চর্চা শুরু হয়েছে। বিষয়টি মাথায় রেখে মূলত একে বিশ্ব ঐতিহ্যের জন্য আবেদন করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে বিশ্ব ঐতিহ্যের জন্য আবেদনের দায়িত্বে থাকা বাংলা একাডেমির ফোকলোর বিভাগের উপপরিচালক আনিসুর রহমান সুলতান বলেন, ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতির ওই তিনটি উপাদানের বাইরে আরও অনেক উপাদান রয়েছে, যেগুলো বিশ্ব ঐতিহ্যের সম্মান পেতে পারে। আমরা সেগুলো চিহ্নিত করার কাজ করছি।’

এর বাইরেও প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর থেকে ২১৫টি প্রত্নস্থানকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন করার জন্য প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। খুব শিগগির সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মোট সাতটি থিমে ভাগ করা এসব স্থাপনার নাম ইউনেসকোর কাছে জমা দেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

আজ বিশ্ব ঐতিহ্য দিবস

আজ বিশ্বজুড়ে একযোগে বিশ্ব ঐতিহ্য দিবস পালিত হবে। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য ‘জটিল অতীত, বৈচিত্র্যময় ভবিষ্যৎ’। মূলত ১৯৮৩ সাল থেকে ইউনেসকোর মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন