বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সভাপতির বক্তব্যে পবার চেয়ারম্যান আবু নাসের খান বলেন, ঢাকাসহ দেশের সব নগরে দরিদদ্রের মৌলিক নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। নগরে দরিদ্রদের এলাকায় পরিকল্পিত বর্জ্যব্যবস্থা, বিনা মূল্যে স্বাস্থ্যসেবাও নিশ্চিত করতে হবে।

স্থপতি শামসুল ওয়ারেশ বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গৃহহারা হয়ে মানুষ নগর–দরিদ্র হয়। এই মানুষেরা যখন গ্রামে ছিল, সেখানে তাদের সমাজ ছিল। এই মানুষেরা যখন জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে শহরে আসে, তখন সে সব হারায়। এই শিকড় হারানো উদ্বাস্তু মানুষের জন্য সঠিক তহবিল ও নগর–পরিকল্পনা জরুরি।

নগর ও উন্নয়ন পরিকল্পনাকে বিকেন্দ্রীকরণের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক আবদুস সোবহান। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী স্থানচ্যুত হয়ে নগরে আসছে। ফলে নগরে নানাবিধ সংকট তৈরি হচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গৃহহারা হয়ে আসা নগর–দরিদ্রদের তালিকা তৈরি ও তাদের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নিরূপণের ওপর জোর দেন গবেষক পাভেল পার্থ। তিনি বলেন, নগরের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অভিযোজন, আবাসন ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই ক্ষয়ক্ষতির হিসাবকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে নগর গবেষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, নগর দরিদ্র জনগোষ্ঠীর সচেতনতা ও দক্ষতা বাড়ানো এবং সব ধরনের সরকারি সেবা-সহযোগিতার অভিগম্যতা নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি পরিকল্পিতভাবে নগর দরিদ্রদের আবাসন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, কুটিরশিল্পভিত্তিক নিরাপদ কর্মসংস্থান, শিক্ষা-স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণসহ উপযোগী অভিযোজন উদ্যোগগুলোকে সহায়তা করা জরুরি।

অনুষ্ঠানে কোয়ালিশন ফর দ্য আরবান পুউরের (কাপ) সহসভাপতি মো. মাহবুবুল হক, বুয়েটের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান স্থপতি মোসলেহ উদ্দিন, কাপের নির্বাহী পরিচালক খন্দকার রেবেকা সান ইয়াত প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন