default-image

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের বিরোধিতা করে কাল শুক্রবার রাজধানীর শাহবাগে সমাবেশ আহ্বান করা হয়েছে। বেলা তিনটায় শাহবাগ চত্বরে এই সমাবেশ আহ্বান করেছে ছাত্র, যুব ও শ্রম অধিকার পরিষদ। এ ছাড়া আজ দুপুরে মতিঝিলে বিক্ষোভের সময় আটক নেতা-কর্মীদের মুক্তি দাবি করেছে সংগঠনটি।

রাজধানীর গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালের সামনে আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে এক সংবাদ সম্মেলন থেকে এসব ঘোষণা করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ছাত্র, যুব ও শ্রম অধিকার পরিষদ তিন দফা দাবিও তুলে ধরেছে।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক রহমান শাহবাগের সমাবেশে গ্রাম-শহরনির্বিশেষে সব অঞ্চলের মানুষ এবং আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াতসহ সব দলকে সমবেত হওয়ার আহ্বান জানান। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, রাষ্ট্র হিসেবে ভারত বা এর জনগণের প্রতি তাদের কোনো ক্ষোভ নেই। কিন্তু নরেন্দ্র মোদিকে তাঁরা কিছুতেই মেনে নেবেন না। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, নরেন্দ্র মোদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে কাউকে আমন্ত্রণ জানালে দেশের জনগণ তাঁকে চান কি না যাচাই করা উচিত ছিল। দেশের মানুষ মোদিকে বাংলাদেশে দেখতে চায় না।

বিজ্ঞাপন
default-image


ছাত্র, যুব ও শ্রম অধিকার পরিষদের তিন দফায় বলা হয়, নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া যাবে না, শাপলা চত্বরের সংঘর্ষে আহত সংগঠনের ৪২ জন নেতা-কর্মীর চিকিৎসার ব্যয়ভার সরকারকে বহন করতে হবে এবং আটক সদস্যদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মুক্তি দিতে হবে। আহত কর্মীরা গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালসহ রাজধানীর বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানানো হয় সংবাদ সম্মেলনে। সংবাদ সম্মেলনের সময় আহত চার কর্মী হুইলচেয়ারে বসে ছিলেন, আশপাশে রাবার বুলেটের আঘাত ও পিটুনি খাওয়া আরও বেশ কিছু কর্মী ছিলেন।


সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে নুরুল হক নুরুসহ কয়েকজন ছাত্রের নেতৃত্বে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ গঠিত হয়েছিল। গত বছর ওই মঞ্চ থেকেই ছাত্র, যুব ও শ্রম অধিকার পরিষদ গঠিত হয়। দলটি সাম্প্রতিক সময়ে গণসংহতি আন্দোলন, ভাসানী অনুসারী পরিষদ ও রাষ্ট্রচিন্তার সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছে। বৃহস্পতিবার মোদিবিরোধী আন্দোলন অবশ্য ছাত্র, যুব ও শ্রম অধিকার পরিষদের ডাকা।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন