বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অভিযোগটি নিয়ে সিন্ডিকেটে আলোচনার পর সিন্ডিকেট ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগে অস্থায়ী প্রভাষকের দুটি পদে নিয়োগের সুপারিশ স্থগিত করে বলে জানান ওই সিন্ডিকেট সদস্যরা। তাঁরা বলেন, স্থায়ী সহকারী অধ্যাপক পদে দুজনের নিয়োগের সুপারিশ বহাল রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে সিন্ডিকেট ওই প্রার্থীর অভিযোগটি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়নবিরোধী সেলে পাঠিয়েছে। সেখান থেকে প্রতিবেদন আসার পর ওই প্রার্থীর অভিযোগ ও অভিযুক্ত শিক্ষকের ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অভিযোগকারী প্রার্থী ২০১৮ সালে অনুষদের তৎকালীন ডিন বরাবর লিখিত অভিযোগ করার কথা বললেও বিষয়টি প্রথম আলো নিশ্চিত হতে পারেনি। আসলেই এমন কোনো অভিযোগ করা হয়েছিল কি না বা অভিযোগ করা হয়ে থাকলে কোনো তদন্ত কমিটি বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল কি না, তা জানা যায়নি। এসব বিষয়ে জানতে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সাবেক ডিন ও সিন্ডিকেট সদস্য শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলামের মুঠোফোনে কয়েক দফায় কল করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন, অভিযোগটি পুরোপুরি মিথ্যা। তাঁর ভাষ্য, ‘ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সাবেক ডিন শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম সিন্ডিকেট সভায় একটি চিঠি উত্থাপন করে জানান, একজন নারী প্রার্থীকে আমাদের বিভাগে ২০১৯ সালের নিয়োগে শিক্ষক হিসেবে নেওয়া হয়নি। অবশ্য ওই নিয়োগের নির্বাচনী বোর্ডে শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম নিজেও ছিলেন। তখন (২০১৯) নাকি ওই প্রার্থী তাঁর কাছে আমার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ করেছিলেন। অথচ এমন কিছুই আমি কখনো শুনিনি। অভিযোগটি পুরোপুরি মিথ্যা। সোমবার আমাদের বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের বোর্ড বসেছিল। সেখানে ওই প্রার্থী নিয়োগের সুপারিশ পাননি। এরপর তিনি মঙ্গলবার আবার একই অভিযোগ সিন্ডিকেটে উত্থাপন করেছেন। তার মানে, তাঁকে নিয়োগের সুপারিশ করা হলে তিনি অভিযোগটি করতেন না।’

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন