বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নর্দান মেডিকেলের পঞ্চম বর্ষের এক শিক্ষার্থী সাইরা জাহান বলেন, প্রায় ২৫০ শিক্ষার্থী তাঁদের শিক্ষাজীবন শেষ করা নিয়ে শঙ্কিত। প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে নর্দান মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা নিয়েছে। তিনি বলেন, এখানে ৩২ নেপালি শিক্ষার্থীও আছেন। তাঁরাও বিপাকে পড়েছেন। বিদেশি শিক্ষার্থীদের রাতের বেলায় হোস্টেল থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

আরেক শিক্ষার্থী আশরাফুল ইসলাম বলেন, ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মেডিকেল কলেজ তিন বছরের মাথায় নানা অনিয়মে কারণে ২০০৪ সালে বন্ধ হয়। এরপর ২০০৬ সালে আবার চালু হয়। কিন্তু অনিয়ম থেমে নেই।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, নর্দান প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ চলে ভাড়া করা রোগী ও ভাড়া করা শিক্ষক দিয়ে। প্রায় দেড় বছর ধরে এই মেডিকেল কলেজের হাসপাতালটি বন্ধ আছে। যখন হাসপাতাল চালু ছিল, তখন সব আসন প্রায় শূন্য ছিল। কলেজ ভিজিটের সময় ভাড়া করে রোগী আনা হতো। এই মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পূর্ণাঙ্গ অপারেশন থিয়েটার, আইসিইউ, সিসিইউ ও এনআইসিইউ নেই। পরীক্ষার জন্য ভাড়া করে রোগী নিয়ে আসা হয় এবং ভিজিটের সময় কর্তৃপক্ষ রোগী ভাড়া করে আনে এবং অধিকাংশই থাকে সাজানো রোগী। ক্লিনিক্যাল বিষয়ে কোনো স্থায়ী বিভাগীয় প্রধান, সিএ রেজিস্টার নেই। এমনকি নিজস্ব কোনো পরীক্ষার কেন্দ্র নেই।

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, সাত মাস ধরে তাঁরা দাবি আদায়ে আন্দোলন করছেন। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল (বিএমডিসি) কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তাঁদের মাইগ্রেশনের ব্যাপারে মৌখিক আশ্বাস পেলেও তা এখন পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি।

শিক্ষার্থীদের দুটি দাবির একটি হচ্ছে ১ম বর্ষ থেকে ৫ম বর্ষ পর্যন্ত প্রায় ২৫০ দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থীকে সরকারি হস্তক্ষেপে দ্রুত অন্যান্য বেসরকারি মেডিকেল কলেজে মাইগ্রেশনের ব্যবস্থা করা। আর দ্বিতীয় দাবি হলো মেডিকেলে ভর্তির সময় যে কাগজপত্রগুলো কলেজে দেওয়া আছে, সেগুলো বিনা শর্তে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়া।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন