বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গ্রামের লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নাজমুলের বাবার সঙ্গে নিহত শিশুটির বাবার ভালো সম্পর্ক ছিল। তিন বছর আগে নাজমুলের মা মারা যান। গত শুক্রবার তাঁর বাবা আবার বিয়ে করেন। বিয়েতে নাজমুলের আপত্তি ছিল। নিহত শিশুটির বাবা ওই বিয়েতে মধ্যস্থতা করায় নাজমুল তাঁর ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন।

এ ক্ষোভ থেকে গতকাল শনিবার সকালে শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করেন নাজমুল। এরপর লাশ বস্তায় ভরে ঘরের খাটের নিচে রাখেন। বিষয়টি জানাজানির পর শনিবার দুপুরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে এবং নাজমুলকে আটক করে। শনিবার রাতে নিহত শিশুটির বাবা বাদী হয়ে নাজমুলের বিরুদ্ধে বাঘারপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় নাজমুলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ উদ্দীন বলেন, আজ নাজমুল হককে আদালতে নেওয়া হয়। তিনি শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বাবার দ্বিতীয় বিয়ের মধ্যস্থতা করায় তিনি শিশুটির বাবার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। সেই ক্ষোভ থেকে তিনি শিশুটিকে হত্যা করেছেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে কারাগারে নেওয়া হয়।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন