বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নূর হোসেনের রক্তদানের মধ্য দিয়ে আমাদের বহু কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের শৃঙ্খলমুক্তি ঘটলেও গণতন্ত্র এখনো প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়নি। গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতন্ত্রের বিকাশমান ধারা অব্যাহত থাকবে।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নূর হোসেনের আত্মত্যাগে গণতন্ত্রের আন্দোলন বেগবান হয়েছিল। ইতিহাসের পাতায় ১০ নভেম্বর গৌরবময় দিন হয়ে আছে। আওয়ামী লীগ নেত্রী তখনকার বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নূর হোসেনের রক্তদানের মধ্য দিয়ে বহু কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্র শৃঙ্খলমুক্ত হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন প্রমুখ।

আওয়ামী লীগ ছাড়াও শহীদ নূর হোসেনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাসদ, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বাম গণতান্ত্রিক জোট। এ ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শহীদ নূর হোসেনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে।

১৯৮৭ সালের এই দিনে তৎকালীন সামরিক শাসকের বিরুদ্ধে রাজধানীর রাজপথে আন্দোলনে শামিল হয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন নূর হোসেন। তাঁর এই আত্মত্যাগে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন বেগবান হয়। পরবর্তী সময়ে দেশে গণতন্ত্র আসে।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন