বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

১৫ দিনব্যাপী এ মহড়ায় অংশ নেয় নৌবাহিনীর ফ্রিগেট, করভেট, ওপিভি, মাইন সুইপার, প্যাট্রোল ক্র্যাফট, মিসাইল বোটসহ বিভিন্ন জাহাজ। এ ছাড়া নৌবাহিনীর মেরিটাইম প্যাট্রোল এয়ারক্রাফট ও হেলিকপ্টারও অংশ নেয়। ছিল বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, সেনা ও বিমানবাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট মেরিটাইম সংস্থাগুলোও।

নৌবহরের বিভিন্ন কলাকৌশল অনুশীলন, সমুদ্র এলাকায় পর্যবেক্ষণ, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান, লজিস্টিকস অপারেশন, ল্যান্ডিং অপারেশন, উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত নৌ স্থাপনাসমূহের প্রতিরক্ষা বিষয়ে চার ধাপে মহড়া হয়।

আইএসপিআর জানায়, চূড়ান্ত দিনের মহড়ার উল্লেখযোগ্য বিষয়ের মধ্যে ছিল নৌবাহিনীর জাহাজ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ, বিমান বিধ্বংসী গোলাবর্ষণ, সাবমেরিন বিধ্বংসী রকেট ডেপথ চার্জ নিক্ষেপ, ভিবিএসএস ও নৌকমান্ডো মহড়া এবং নৌযুদ্ধের বিভিন্ন কলাকৌশল।

মহড়ার শেষ দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। এ সময় তিনি দেশের সমুদ্রসীমা রক্ষার পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতি ও দুর্যোগে নৌবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, করোনা প্রতিরোধে নৌবাহিনী দেশের সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় প্রশাসনকে সহায়তাসহ মানুষকে যে সহায়তা দিয়েছে তা প্রশংসার দাবিদার।

এ সময় নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম শাহীন ইকবাল উপস্থিত ছিলেন। এর আগে পরিকল্পনামন্ত্রী জাহাজে পৌঁছালে কমান্ডার বিএন ফ্লিট কমোডর মীর এরশাদ আলী তাঁকে স্বাগত জানান। এ ছাড়া নৌবাহিনীর একটি দল মন্ত্রীকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন