default-image

শৈশবে বাবার সঙ্গে এসে যে বাংলাদেশ দেখেছিলেন, সেই দেশের ৫০ বছর পূর্তিতে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় বদলে যাওয়ার চিত্রই ধরা পড়ছে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর চোখে।

বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বুধবার আয়োজিত ‘মুজিব চিরন্তন’ অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে এক ভিডিও বার্তায় শুভেচ্ছা জানান তিনি।

বাংলাদেশের স্বাধীনতাসংগ্রামে পিয়ের ট্রুডোর সমর্থন এবং তাঁর সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর বন্ধুত্বের কথা তুলে ধরেন ছেলে জাস্টিন ট্রুডো। ১৯৮৩ সালে শৈশবে কানাডার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীপুত্র হিসেবে বাংলাদেশে ভ্রমণের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সে সময়ের আর এখনকার বাংলাদেশ ভিন্ন। এখন বাংলাদেশে অনেক উন্নয়ন ঘটেছে, দারিদ্র্য কমেছে।

বাংলাদেশে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান জাস্টিন ট্রুডো। কোভিড মহামারি পরিস্থিতিতে সরাসরি আসতে না পারায় ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হওয়ার কথা তিনি বলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আজ বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন করতে পারছি। কারণ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখেছিলেন। নেতা বা নাগরিক হিসেবে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের এমনই হওয়া উচিত।’

বিজ্ঞাপন


কানাডার প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের উন্নয়নে সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, গত ৫০ বছরে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব উন্নতি করেছে। দারিদ্র্য দূর হয়েছে, শিক্ষার সুযোগ বেড়েছে, স্বাস্থ্য পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেছে। দেশের ভেতরে নতুন নতুন কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে। আর প্রবৃদ্ধির প্রতিটি ধাপে কানাডা বাংলাদেশের সঙ্গে ছিল।


ট্রুডো বলেন, কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব কিংবা শান্তি রক্ষা—সব ক্ষেত্রে একসঙ্গে আজ ও আগামী দিনগুলোতে কাজ করবে দুই দেশ। এর মধ্য দিয়ে ভবিষ্যতের নাগরিকদের জন্য টেকসই ও সুন্দর বিশ্ব তৈরিতে ভূমিকা রাখার প্রতিশ্রুতি উঠে আসে তাঁর কথায়।


ঢাকায় জাতীয় প্যারেড স্কয়ারের এ অনুষ্ঠানে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ছাড়াও ভিডিও বার্তার মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানান চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদো সুগা। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ অনুষ্ঠানে সরাসরি যোগ দেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন