বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই মামলায় ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল গত ১৩ জানুয়ারি আসিফের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে তাঁর করা অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে দেন। এর বিরুদ্ধে আসিফ হাইকোর্টে আপিল করেন। আদালতে আসিফের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মঈন ফিরোজী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সামিরা তারান্নুম রাবেয়া।

পরে আইনজীবী মঈন ফিরোজী প্রথম আলোকে বলেন, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ২০১৮ সালের ৮ অক্টোবর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন হওয়ার মাধ্যমে ৫৭ ধারা বিলুপ্ত হয়। তখন যেসব মামলা বিচারাধীন ছিল, সেগুলো চলমান থাকবে বলে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে বলা হয়। কিন্ত আসিফের ক্ষেত্রে মামলাটি তখন তদন্ত পর্যায়ে ছিল, যা বিচার পর্যায়ের অংশ নয়। তাই মামলাটি বিলুপ্ত ৫৭ ধারায় চলার সুযোগ নেই। আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করে হাইকোর্ট তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে করা ওই মামলার কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মানহানিকর ও মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগে ২০১৮ সালের ৪ জুন আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলা করেন গীতিকার ও কণ্ঠশিল্পী শফিক তুহিন। পরদিন গ্রেপ্তার করে আসিফ আকবরকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পান তিনি। আইসিটি আইনে করা ওই মামলা তদন্ত করে ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মামলায় আসিফের বিরুদ্ধে শিল্পী শফিক তুহিনের অভিযোগ, অনুমতি ছাড়াই তাঁর সংগীতকর্মসহ অন্যান্য গীতিকার, সুরকার ও শিল্পীদের ৬১৭টি গান সবার অজান্তে বিক্রি করেছেন আসিফ।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন