গণমাধ্যমের দায়িত্বশীলতার উদাহরণ দিতে গিয়ে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘কয়েকদিন আগে একটি পত্রিকায় দেখলাম দুই কলাম বড় খবর- বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগ প্রকাশ। কিন্তু সত্যিটা হচ্ছে, আইরিন খান উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। উনার মতো জাতিসংঘে সংশ্লিষ্ট আরও ৮০ জন র‍্যাপোর্টিয়ার রয়েছেন। সেই ৮০ জনের মধ্যে মাত্র একজনের মতামত নিয়ে যদি কোনো প্রথম সারির সংবাদপত্র লেখে জাতিসংঘের উদ্বেগ প্রকাশ, তাহলে সেটি কি সাংবাদিকতা না অপসাংবাদিকতা!'

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের দেশে অপসাংবাদিকতার জন্য প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় না, ইউরোপে এমন সংবাদ পরিবেশনের জন্য শুধু প্রশ্নের মুখোমুখিই হতে হয় তা নয়, সেখানে নিয়মিত জরিমানা দিতে হয়।’ তিনি বলেন, ‘সমালোচনা থাকবে। কারণ দায়িত্বে থাকলে সমালোচনা হবেই। যে দায়িত্বে নাই তাঁর সমালোচনা করার সুযোগও নাই। কিন্তু সমালোচনাটা যেন বস্তুনিষ্ঠ হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে।’

হাছান মাহমুদ বলেন, 'সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট আজকে সাংবাদিক সমাজের একটি ভরসার জায়গা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যে সব সাংবাদিক নিয়মিত সরকারের বিরুদ্ধে লেখেন, কারণে-অকারণে লেখেন, লিখতে লিখতে হয়রান হয়ে যান, এমনকি সরকার পতনের জন্য তাঁরা প্রেসক্লাবের সামনে কিংবা অন্য কোনখানে গরম গরম বক্তব্য দেন, তাঁদেরকেও আমরা এই সহায়তা দিয়েছি এবং দিচ্ছি।'

ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুভাষ চন্দ বাদলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রেস ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ, বিএফইউজের সভাপতি ওমর ফারুক, সাবেক সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, দৈনিক সংবাদের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক কাশেম হুমায়ুন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন