বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, প্রতিবছর এই পদক প্রদানের মাধ্যমে আমাদের কূটনীতিকগণ নিজ নিজ অবস্থান থেকে পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনে অনুপ্রাণিত হবেন। পাশাপাশি আমাদের বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর কূটনীতিকগণও তাঁদের স্ব স্ব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক নতুন শিখরে উন্নীত করতে উৎসাহিত হবেন।’

বাংলাদেশ হবে জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেখানে কোনো ক্ষুধা ও দারিদ্র্য থাকবে না। দুঃখ ও কষ্ট দূর হয়ে মানুষ সুন্দর ও উন্নত জীবনের অধিকারী হবে—সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’

ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রেখে সমুদ্রসীমা সমস্যার সমাধানকে ‘কূটনৈতিক সাফল্য’ উল্লেখ করে তিনি এই সফলতার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানান।

কূটনীতিতে বঙ্গবন্ধু মেডেল পেলেন দুজন

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় ও মানবতাবাদী কূটনীতিতে বঙ্গবন্ধুর অনন্য অবদানকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর এই মাহেন্দ্রক্ষণে সরকার ‘বঙ্গবন্ধু মেডেল ফর ডিপ্লোম্যাটিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’ প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

বাংলাদেশে দায়িত্ব পালনকালে দুই দেশ এবং জনগণের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও নিবিড় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশের জন্য শ্রমবাজার উন্মুক্ত করতে ভূমিকা রাখায় দেশটিতে নিযুক্ত সাবেক রাষ্ট্রদূত সাইদ মোহাম্মদ আল মেহরি এবং দীর্ঘদিন ধরে সমুদ্রসীমা নির্ধারণ ও সুনীল অর্থনীতি নিয়ে কাজ করায় এবং বর্তমান সরকারের আমলে ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিজয়ের অভিযাত্রায় অত্যন্ত পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মো. খুরশেদ আলমকে ‘বঙ্গবন্ধু মেডেল ফর ডিপ্লোম্যাটিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২০’–এ ভূষিত করা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে বিজয়ীদের হাতে পদক তুলে দেন।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, দলের কেন্দ্রীয় নেতা এবং পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা করেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার পাশাপাশি বিজয়ী কূটনীতিকদের নাম ঘোষণা করেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাবেক রাষ্ট্রদূত সাইদ মোহাম্মদ আল মেহরি এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মো. খুরশেদ আলম পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন সম্পাদিত ‘শেখ হাসিনা বিমুগ্ধ বিস্ময়’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।

সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সাংসদ, দেশি-বিদেশি কূটনীতিক ও বিভিন্ন মিশন, সংস্থার প্রধানসহ আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন